০৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স ৫৭.৫০ কোটি ডলার

চলতি মার্চ মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে অনস্বীকার্য দ্রুততা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী প্রবাসীরা মাত্র তিন দিনে দেশে পাঠিয়েছেন ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই পরিসংখ্যাণ নিশ্চিত করেন এবং জানালেন, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স ছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার; তুলনায় এ বছরের শুরুটা অনেক বেশি শক্তিশালী। ওই এলাকা ছাড়াও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বৃদ্ধি। বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর প্রতি প্রবাসীদের উৎসাহ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সহজীকরণ এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের জন্য সফল ছিল; ওই এক মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার — যা দেশের ইতিহাসে একাই সর্বোচ্চ এক বছরের রেকর্ড।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে পূর্বের রেকর্ড ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও বলেছে, এই ধারা ধরে রাখতে এবং পরিচ্ছন্ন চ্যানেলে রেমিট্যান্স নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। রেমিট্যান্সের এ ধরনের প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাও বাড়াতে সহায়তা করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স ৫৭.৫০ কোটি ডলার

প্রকাশিতঃ ০৮:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলতি মার্চ মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে অনস্বীকার্য দ্রুততা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী প্রবাসীরা মাত্র তিন দিনে দেশে পাঠিয়েছেন ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই পরিসংখ্যাণ নিশ্চিত করেন এবং জানালেন, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স ছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার; তুলনায় এ বছরের শুরুটা অনেক বেশি শক্তিশালী। ওই এলাকা ছাড়াও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বৃদ্ধি। বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর প্রতি প্রবাসীদের উৎসাহ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সহজীকরণ এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের জন্য সফল ছিল; ওই এক মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার — যা দেশের ইতিহাসে একাই সর্বোচ্চ এক বছরের রেকর্ড।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে পূর্বের রেকর্ড ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স আয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও বলেছে, এই ধারা ধরে রাখতে এবং পরিচ্ছন্ন চ্যানেলে রেমিট্যান্স নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। রেমিট্যান্সের এ ধরনের প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাও বাড়াতে সহায়তা করছে।