০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কায় যশোর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স—দলীয় পরিচয় বিবেচনা করব না: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানালেন: ঈদে একটানা সাতদিন ছুটি রাষ্ট্রপতি ব্যক্তি নয়, সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার বিধান আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের ছুটি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ঘোষণা আমিরাত থেকে ৪০৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়েছে ইউএস-বাংলার দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইট সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জাকজমক এড়িয়ে দুইইফতারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পল কাপুর জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে রুট পারমিট বাতিল হবে: সেতুমন্ত্রী পাবনার খালেদ হোসেন পরাগ হলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী

জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কায় যশোর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও युद्धকেনে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা বাড়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (৬ মার্চ) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দরসহ শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা তৎপরতা তীব্র করা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও পরিবহনের কাগজপত্র এবং মালামাল পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষত যেসব রুট অতীতে ডিজেল ও পেট্রল পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, সেসব স্থানে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। বেনাপোল স্থলবন্দর গেট দিয়ে ভারতে যাওয়া বা আসা দেশীয় ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর কড়াকড়িভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহভাজন পরিবহন ও চলাচলের ওপর কঠোর নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনোভাবেই সীমান্ত পথে জ্বালানি তেল পাচার হতে দেয়া হবে না। পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তেলের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যশোরে একাধিক পাম্পে বাইকারদের একযোগে ভিড় জমায় তেল সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করেছেন, যার ফলে কয়েকটি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধও রয়েছে।

পাম্প মালিকরা বলছেন, বর্তমান মজুত আগামী রোববার পর্যন্ত থাকতে পারে—তবে বাইকারদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তা আগেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু পাম্পে পেট্রলের অনুপস্থিতি এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হতে হচ্ছে চালকদের।

বিজিবি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানিসম্পদ সুরক্ষায় তারা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও পাম্প ব্যবসায়ীদেরও সবাইকে শান্তির সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে অযথা সংকট তৈরি না হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কায় যশোর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কায় যশোর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

প্রকাশিতঃ ০৮:২৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও युद्धকেনে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা বাড়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (৬ মার্চ) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দরসহ শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা তৎপরতা তীব্র করা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও পরিবহনের কাগজপত্র এবং মালামাল পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষত যেসব রুট অতীতে ডিজেল ও পেট্রল পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, সেসব স্থানে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। বেনাপোল স্থলবন্দর গেট দিয়ে ভারতে যাওয়া বা আসা দেশীয় ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর কড়াকড়িভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবল বৃদ্ধি, বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহভাজন পরিবহন ও চলাচলের ওপর কঠোর নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনোভাবেই সীমান্ত পথে জ্বালানি তেল পাচার হতে দেয়া হবে না। পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তেলের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যশোরে একাধিক পাম্পে বাইকারদের একযোগে ভিড় জমায় তেল সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করেছেন, যার ফলে কয়েকটি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধও রয়েছে।

পাম্প মালিকরা বলছেন, বর্তমান মজুত আগামী রোববার পর্যন্ত থাকতে পারে—তবে বাইকারদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তা আগেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু পাম্পে পেট্রলের অনুপস্থিতি এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হতে হচ্ছে চালকদের।

বিজিবি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানিসম্পদ সুরক্ষায় তারা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও পাম্প ব্যবসায়ীদেরও সবাইকে শান্তির সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে অযথা সংকট তৈরি না হয়।