০৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কড়া নির্দেশনা ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে সেতু সচিবের যমুনা সেতু ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ৪ প্রবাসী নিহত: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু সোমবার ফ্যামিলি কার্ডের সংবাদ সম্মেলন, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন

সারা দেশে কৃষির উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সরকার এক বিশাল পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে প্রধানমন্ত্রী স্বশরীরে উপস্থিত থেকে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি রবিবার (৮ মার্চ) দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় খাল খনন প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থানে সরকারি পরিদর্শন শেষে এই তথ্য জানান। এই সফরে তিনি সঙ্গে ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম এবং আরও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৬ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থাকবেন প্রকল্পের উদ্বোধনে, এবং একই সময়ে বিভিন্ন জেলার জন্য বিশেষ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হবে। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোর বর্ষা মৌসুমে নানারকম জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে এই খাল খননের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। সাহাপাড়া এলাকায় খননযোগ্য এই খালের প্রস্থে সাড়ে ১২ কিলোমিটার।

পানিসম্পদমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘খাল খনন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির কোনও সুযোগ নেই, সরকার এই বিষয়টিতে কঠোর নজর রাখবে। পুরো বিষয়টি যাতে জনস্বার্থের স্বার্থে কার্যকর হয়, তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবো।’’ তিনি বলেন, এই কাজের মাধ্যমে নদীমাতৃক বাংলাদেশের হারানো জলপথগুলো আবার জীবন্ত হয়ে উঠবে, পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে এই পুনঃখনন প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এই কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কারণে, এই আন্দোলন দেশের জাতীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনাজপুরের এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার। সব মিলিয়ে গত ১৬ মার্চের উদ্বোধনী উৎসবের জন্য উত্তরের জনপদে এখন উৎসাহের ঠেক নেই।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কড়া নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

সারা দেশে কৃষির উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সরকার এক বিশাল পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল থেকে প্রধানমন্ত্রী স্বশরীরে উপস্থিত থেকে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি রবিবার (৮ মার্চ) দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় খাল খনন প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থানে সরকারি পরিদর্শন শেষে এই তথ্য জানান। এই সফরে তিনি সঙ্গে ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম এবং আরও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৬ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থাকবেন প্রকল্পের উদ্বোধনে, এবং একই সময়ে বিভিন্ন জেলার জন্য বিশেষ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হবে। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোর বর্ষা মৌসুমে নানারকম জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে এই খাল খননের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। সাহাপাড়া এলাকায় খননযোগ্য এই খালের প্রস্থে সাড়ে ১২ কিলোমিটার।

পানিসম্পদমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘খাল খনন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির কোনও সুযোগ নেই, সরকার এই বিষয়টিতে কঠোর নজর রাখবে। পুরো বিষয়টি যাতে জনস্বার্থের স্বার্থে কার্যকর হয়, তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবো।’’ তিনি বলেন, এই কাজের মাধ্যমে নদীমাতৃক বাংলাদেশের হারানো জলপথগুলো আবার জীবন্ত হয়ে উঠবে, পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে এই পুনঃখনন প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এই কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কারণে, এই আন্দোলন দেশের জাতীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনাজপুরের এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার। সব মিলিয়ে গত ১৬ মার্চের উদ্বোধনী উৎসবের জন্য উত্তরের জনপদে এখন উৎসাহের ঠেক নেই।