১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

আগামীকাল জুমাতুল বিদা: সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালনের প্রস্তুতি

পবিত্র রমজানের শেষ শুক্রবার আগামীকাল। দিনটি সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র জুমাতুল বিদা হিসেবে পালিত হবে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজে অংশ নেবেন। নামাজের পূর্বে ও পরে খতিব ও আলেমরা জুমাতুল বিদার তাৎপর্য তুলে ধরবেন—রমজানের শিক্ষা, তাওবা ও আল্লাহর কাছে কাছে ফিরে যাওয়ার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য হবে।

জুমার নামাজ শেষে মসজিদগুলোতে দেশ-জাতি ও সমাজের কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মুসল্লিরা এক সাথে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নিয়ে পরস্পরের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও দিকনির্দেশনা প্রার্থনা করবেন।

স্থানীয় স্তরের ধর্মীয় উদ্যোগে অন্যান্য সামাজিক ও আত্মসমীক্ষামূলক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হতে পারে, যাতে রমজানের শেষ এই শুক্রবারটি আর্থিক, সামাজিক ও আত্মিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল জুমাতুল বিদা: সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালনের প্রস্তুতি

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজানের শেষ শুক্রবার আগামীকাল। দিনটি সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র জুমাতুল বিদা হিসেবে পালিত হবে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজে অংশ নেবেন। নামাজের পূর্বে ও পরে খতিব ও আলেমরা জুমাতুল বিদার তাৎপর্য তুলে ধরবেন—রমজানের শিক্ষা, তাওবা ও আল্লাহর কাছে কাছে ফিরে যাওয়ার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য হবে।

জুমার নামাজ শেষে মসজিদগুলোতে দেশ-জাতি ও সমাজের কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মুসল্লিরা এক সাথে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নিয়ে পরস্পরের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও দিকনির্দেশনা প্রার্থনা করবেন।

স্থানীয় স্তরের ধর্মীয় উদ্যোগে অন্যান্য সামাজিক ও আত্মসমীক্ষামূলক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হতে পারে, যাতে রমজানের শেষ এই শুক্রবারটি আর্থিক, সামাজিক ও আত্মিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকে।