০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: উদ্ধার ২৬, নিখোঁজদের খোঁজ চলছে হোয়াইট হাউজে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৬ মরদেহ উদ্ধার ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন — বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক রাষ্ট্র-রাষ্ট্র মডেলের উদাহরণ স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী: স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমকে উজ্জীবিত করে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায়, উদ্ধারকাজ চলছে আঞ্চলিক কার্যালয়েও বায়োমেট্রিক যাচাই শুরু

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠকটি অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব পাস করা হয়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় প্রায় ১,৬৬৬ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুলো এপ্রিল মাসে দুই খণ্ডে দেশে পৌঁছাবে — ১০ম কার্গো সরবরাহ হবে ২৪-২৫ এপ্রিলের মধ্যে এবং ১১তম কার্গো পৌঁছবে ২৭-২৮ এপ্রিলের মধ্যে। প্রস্তাব অনুযায়ী এসব কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব এলএনজি বাজারেও পড়েছে। ওই অস্থিরতার ফলে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেটে আগের তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল — তখন একটি কার্গোর দাম ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১.৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটি কার্গোর মূল্য ছিল ২০.৭৬ ডলার। তারও আগে এক সপ্তাহে দুই কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮.২৮ ডলার এবং অন্যটির ছিল ২৩.০৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ।

সরকার এই অতিরিক্ত ক্রয়কে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গৃহস্থালি চাহিদা মেটাতে নেওয়া জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠকটি অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব পাস করা হয়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় প্রায় ১,৬৬৬ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুলো এপ্রিল মাসে দুই খণ্ডে দেশে পৌঁছাবে — ১০ম কার্গো সরবরাহ হবে ২৪-২৫ এপ্রিলের মধ্যে এবং ১১তম কার্গো পৌঁছবে ২৭-২৮ এপ্রিলের মধ্যে। প্রস্তাব অনুযায়ী এসব কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব এলএনজি বাজারেও পড়েছে। ওই অস্থিরতার ফলে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেটে আগের তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল — তখন একটি কার্গোর দাম ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১.৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটি কার্গোর মূল্য ছিল ২০.৭৬ ডলার। তারও আগে এক সপ্তাহে দুই কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮.২৮ ডলার এবং অন্যটির ছিল ২৩.০৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ।

সরকার এই অতিরিক্ত ক্রয়কে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গৃহস্থালি চাহিদা মেটাতে নেওয়া জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।