০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয় র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন সময়সূচি — সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ডব্লিউটিও সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সতর্কতার আহ্বান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক প্রধানমন্ত্রী সোমবার ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না চট্টগ্রামে তিন জাহাজে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি আসছে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: একাত্তরকে অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলানো যাবে না

বরগুনায় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি বরগুনায় এক সৌজন্য সাক্ষাতে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে হৃদ্য আলাপ করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন এবং রাজনৈতিক সংলাপ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হারুন, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ, জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ মামুন, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা এস.এম. আফজালুর রহমান, উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাসুদুল আলম, উপজেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, জেলা সভাপতি মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান, বরগুনা জেলার ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে বরগুনা-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ অলি উল্লাহ নোমান।

সাক্ষাতকালে চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার জনগণের সরকারে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দলকে নিয়ে ঐক্যমতের ভিত্তি গড়ে তোলা দেশের সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। দেশের উন্নয়ন, সামাজিক সংহতি এবং রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতা অপরিহার্য—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্য নেতারা এ সাক্ষাতকে দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাজনৈতিক সংলাপের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করেন। তারা বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করতে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সাক্ষাতটিকে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপ এবং মতবিনিময়ের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও এমন আন্তঃদলীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় ও সৃষ্টি সম্ভব হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ

বরগুনায় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি বরগুনায় এক সৌজন্য সাক্ষাতে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে হৃদ্য আলাপ করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন এবং রাজনৈতিক সংলাপ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হারুন, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ, জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ মামুন, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা এস.এম. আফজালুর রহমান, উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাসুদুল আলম, উপজেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, জেলা সভাপতি মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান, বরগুনা জেলার ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে বরগুনা-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ অলি উল্লাহ নোমান।

সাক্ষাতকালে চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার জনগণের সরকারে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দলকে নিয়ে ঐক্যমতের ভিত্তি গড়ে তোলা দেশের সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। দেশের উন্নয়ন, সামাজিক সংহতি এবং রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতা অপরিহার্য—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্য নেতারা এ সাক্ষাতকে দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাজনৈতিক সংলাপের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করেন। তারা বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করতে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সাক্ষাতটিকে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপ এবং মতবিনিময়ের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও এমন আন্তঃদলীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় ও সৃষ্টি সম্ভব হয়।