০৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার সরকার ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয় র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন সময়সূচি — সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ডব্লিউটিও সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সতর্কতার আহ্বান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যেও চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার (প্রায় ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার), যা একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ।

গত বছরের একই মাসে এককভাবে সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ৩২৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। এ বছর একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে রেমিট্যান্স বাড়িেছে প্রায় ৩.৮০ শতাংশ — গত বছরের ওই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ৩২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে গত ২৮ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮.১৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ১৬৯ কোটি ডলার।

ব্যাংকাররা জানান যে, মধ্যপ্রাচ্য আমাদের প্রবাসী আয়ের প্রধান কেন্দ্র। সেই অঞ্চলের যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে সেখানে থাকা বাংলাদেশিরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের সঞ্চিত অর্থ দেশে পাঠাতে পারেন। পাশাপাশি রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা পরিবারের খরচ মেটাতে বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠান। এসব কারণ মিলিয়ে বৈধ চ্যানেলে ধরে পাঠানো অর্থ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ রোধে নানা উদ্যোগ চলছে। হুন্ডির প্রবণতা কমায় বৈধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ছে বলে তারা দেখছেন।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রভাব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৯৯ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের BPM-6 পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার। তুলনামূলক হিসেবে ১৬ মার্চ শেষে রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার এবং BPM-6 পদ্ধতিতে ছিল ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।

সংক্ষেপে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, উৎসবকালীন প্রেরণা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নজরদারি মিলিয়ে চলতি মার্চে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার আভ্যন্তরীণ অবস্থাকে শক্ত করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল

মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যেও চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার (প্রায় ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার), যা একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ।

গত বছরের একই মাসে এককভাবে সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ৩২৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। এ বছর একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে রেমিট্যান্স বাড়িেছে প্রায় ৩.৮০ শতাংশ — গত বছরের ওই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ৩২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে গত ২৮ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮.১৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ১৬৯ কোটি ডলার।

ব্যাংকাররা জানান যে, মধ্যপ্রাচ্য আমাদের প্রবাসী আয়ের প্রধান কেন্দ্র। সেই অঞ্চলের যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে সেখানে থাকা বাংলাদেশিরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের সঞ্চিত অর্থ দেশে পাঠাতে পারেন। পাশাপাশি রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা পরিবারের খরচ মেটাতে বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠান। এসব কারণ মিলিয়ে বৈধ চ্যানেলে ধরে পাঠানো অর্থ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ রোধে নানা উদ্যোগ চলছে। হুন্ডির প্রবণতা কমায় বৈধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ছে বলে তারা দেখছেন।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রভাব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৯৯ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের BPM-6 পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার। তুলনামূলক হিসেবে ১৬ মার্চ শেষে রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার এবং BPM-6 পদ্ধতিতে ছিল ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।

সংক্ষেপে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, উৎসবকালীন প্রেরণা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নজরদারি মিলিয়ে চলতি মার্চে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার আভ্যন্তরীণ অবস্থাকে শক্ত করেছে।