০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু

জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপ চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে — ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন — মোটরসাইকেল মালিক ও চালকদের জন্য এটি ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য সব ধরনের যানবাহনের জন্য অ্যাপটি চালু করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে বর্তমানে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব, দীর্ঘ সারি ও অনিয়ম হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কিছু ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন তৈরির ফলে সাধারণ ভোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন; একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে একাধিকবার লাইনে দাঁড়ানো ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের ঘটনাও ঘটছে, যা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যা মোকাবেলায় ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশন ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। সিস্টেমটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটালভাবে জ্বালানির বরাদ্দ এন্ট্রি দেবেন এবং চালকরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অ্যাপ ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোন না থাকলেও ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, অপচয় ও অনিয়ম কমবে এবং সংকটে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপ চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে — ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন — মোটরসাইকেল মালিক ও চালকদের জন্য এটি ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য সব ধরনের যানবাহনের জন্য অ্যাপটি চালু করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে বর্তমানে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব, দীর্ঘ সারি ও অনিয়ম হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কিছু ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন তৈরির ফলে সাধারণ ভোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন; একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে একাধিকবার লাইনে দাঁড়ানো ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের ঘটনাও ঘটছে, যা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যা মোকাবেলায় ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশন ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। সিস্টেমটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটালভাবে জ্বালানির বরাদ্দ এন্ট্রি দেবেন এবং চালকরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অ্যাপ ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোন না থাকলেও ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, অপচয় ও অনিয়ম কমবে এবং সংকটে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে।