০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সাক্ষাৎ আনোয়ার ইব্রাহিম তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের বৈঠক তথ্যমন্ত্রী: ভূ-রাজনীতি, জ্বালানি ও পরিবেশের জটিল যোগসূত্র তরুণদের অনুধাবন করতে হবে দুদকে আবেদন: আসিফ নজরুল ও মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান দাবি কলমে ছদ্মবেশী ‘পেনগান’—রাসেলকে হত্যাচেষ্টায় আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগ হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী সংসদে পাস সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) ২০২৬ — আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই রাখল বিল

জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু

জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপ চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে — ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন — মোটরসাইকেল মালিক ও চালকদের জন্য এটি ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য সব ধরনের যানবাহনের জন্য অ্যাপটি চালু করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে বর্তমানে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব, দীর্ঘ সারি ও অনিয়ম হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কিছু ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন তৈরির ফলে সাধারণ ভোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন; একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে একাধিকবার লাইনে দাঁড়ানো ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের ঘটনাও ঘটছে, যা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যা মোকাবেলায় ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশন ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। সিস্টেমটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটালভাবে জ্বালানির বরাদ্দ এন্ট্রি দেবেন এবং চালকরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অ্যাপ ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোন না থাকলেও ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, অপচয় ও অনিয়ম কমবে এবং সংকটে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সাক্ষাৎ

জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপ চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে — ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন — মোটরসাইকেল মালিক ও চালকদের জন্য এটি ব্যবহারযোগ্য করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য সব ধরনের যানবাহনের জন্য অ্যাপটি চালু করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে বর্তমানে জ্বালানি বিতরণে বিলম্ব, দীর্ঘ সারি ও অনিয়ম হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কিছু ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন তৈরির ফলে সাধারণ ভোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন; একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে একাধিকবার লাইনে দাঁড়ানো ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের ঘটনাও ঘটছে, যা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যা মোকাবেলায় ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশন ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। সিস্টেমটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ডিজিটালভাবে জ্বালানির বরাদ্দ এন্ট্রি দেবেন এবং চালকরা কিউআর কোড স্ক্যান করে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অ্যাপ ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোন না থাকলেও ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, অপচয় ও অনিয়ম কমবে এবং সংকটে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে।