১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েক জেলায় বন্যার শঙ্কা রোসাটম মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ১ মে থেকে সারাদেশে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য ময়মনসিংহ-সিলেটে রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় ৬০–৮০ কিমিতে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধতা ঘোষণা, তালিকা প্রকাশ নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন আইনমন্ত্রী অপতথ্য প্রতিরোধে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে একদিনে রেকর্ড ১,৫৬৪ ভর্তি একদিনে ১৫ প্রতিষ্ঠানেই নতুন চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক নিয়োগ

ইবির মুবাশ্বিরের মাদকসদৃশ ছবি ভাইরাল, থানায় জিডি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিনের মাদকসদৃশ একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে—যা ক্যাম্পাসে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ছবিতে মুবাশ্বিরের মুখে সন্দেহজনক কোনো বস্তু, হাতে লাইটার ও কাগজ দেখা যায়।

ঘটনাটি তখন জোরালো মনোযোগ পায় যখন রোববার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্যভিত্তিক ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “৩৬ দিনে খু’নি হাসিনা ভারতে পালিয়েছিল, ৩৬ ঘন্টাও লাগবেনা লন্ডনে পালাতে।” ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তারই মন্তব্যবার্তায় নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান হাফিজ সমস্যা সৃষ্টি করে সেই ছবিটি শেয়ার করেন। হাফিজ ছবিটির ক্যাপশনে লিখেন, ‘খাওয়া শেষে বেচে থাকিস, বহুত হিসাব দেওয়া লাগবে। তুই আর তোর বাপের পালানোর সুযোগ নাই এইটুকু মাথায় ঢুকায়ে রাখ, কত হুমকি দেওয়া লোক তুই বুঝতে পারবিনি’।

ছবি ভাইরাল হওয়ার পর মুবাশ্বির ওই বিষয় নিয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; তারা তার বিরুদ্ধে কুটুক্তি, অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছে। জিডিতে তিনজনের নাম-পরিচয় ও তাদের ব্যবহৃত ফেসবুক আইডির লিংক উল্লেখ করা হয়েছে এবং মুবাশ্বির লিখেছেন যে ঘটনার কারণে তিনি ভয়ে দৈনন্দিন জীবনযাপন করছেন।

মুবাশ্বির আমিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি কোনো মাদকসংক্রান্ত ছবি নয়। ২০২৩ সালের শেষের দিকে সেকেন্ড ইয়ারে পড়াকালীন সময় শহীদ জিয়া হলে একটি অভিনয়ের দৃশ্য থেকে তোলা ছবিকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি র‍্যাগিং সংস্কৃতির অংশ হিসেবে করা অভিনয় ছিল। আগেও এই ছবি ব্যবহার করে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি প্রক্টরের কাছে অভিযোগ দেব এবং থানায় জিডিও করেছি। বাকিটা তারা দেখবেন।”

ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, “ওই শিক্ষার্থী জিডি করেছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সামাজিক নেটওয়ার্কে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পক্ষপাতদুষ্টভাবে কোন ছবির অর্থ নির্ধারণ না করে সম্পূর্ণ তদন্ত ও প্রাসঙ্গিক জবাবদিহিতা প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েক জেলায় বন্যার শঙ্কা

ইবির মুবাশ্বিরের মাদকসদৃশ ছবি ভাইরাল, থানায় জিডি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিনের মাদকসদৃশ একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে—যা ক্যাম্পাসে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ছবিতে মুবাশ্বিরের মুখে সন্দেহজনক কোনো বস্তু, হাতে লাইটার ও কাগজ দেখা যায়।

ঘটনাটি তখন জোরালো মনোযোগ পায় যখন রোববার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্যভিত্তিক ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “৩৬ দিনে খু’নি হাসিনা ভারতে পালিয়েছিল, ৩৬ ঘন্টাও লাগবেনা লন্ডনে পালাতে।” ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তারই মন্তব্যবার্তায় নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান হাফিজ সমস্যা সৃষ্টি করে সেই ছবিটি শেয়ার করেন। হাফিজ ছবিটির ক্যাপশনে লিখেন, ‘খাওয়া শেষে বেচে থাকিস, বহুত হিসাব দেওয়া লাগবে। তুই আর তোর বাপের পালানোর সুযোগ নাই এইটুকু মাথায় ঢুকায়ে রাখ, কত হুমকি দেওয়া লোক তুই বুঝতে পারবিনি’।

ছবি ভাইরাল হওয়ার পর মুবাশ্বির ওই বিষয় নিয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; তারা তার বিরুদ্ধে কুটুক্তি, অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছে। জিডিতে তিনজনের নাম-পরিচয় ও তাদের ব্যবহৃত ফেসবুক আইডির লিংক উল্লেখ করা হয়েছে এবং মুবাশ্বির লিখেছেন যে ঘটনার কারণে তিনি ভয়ে দৈনন্দিন জীবনযাপন করছেন।

মুবাশ্বির আমিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি কোনো মাদকসংক্রান্ত ছবি নয়। ২০২৩ সালের শেষের দিকে সেকেন্ড ইয়ারে পড়াকালীন সময় শহীদ জিয়া হলে একটি অভিনয়ের দৃশ্য থেকে তোলা ছবিকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি র‍্যাগিং সংস্কৃতির অংশ হিসেবে করা অভিনয় ছিল। আগেও এই ছবি ব্যবহার করে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি প্রক্টরের কাছে অভিযোগ দেব এবং থানায় জিডিও করেছি। বাকিটা তারা দেখবেন।”

ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, “ওই শিক্ষার্থী জিডি করেছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সামাজিক নেটওয়ার্কে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পক্ষপাতদুষ্টভাবে কোন ছবির অর্থ নির্ধারণ না করে সম্পূর্ণ তদন্ত ও প্রাসঙ্গিক জবাবদিহিতা প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করছে।