১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাতকানিয়ায় চায়ের দোকানে হামলা: যুবক শাহাদাতের মৃত্যু

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গত রোববার রাতে মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের বীভৎস হামলায় মুহাম্মদ শাহাদাত (৩০) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়ে সোমবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার সময় সন্ধ্যার পর নয়, রাত ১১টার দিকে সাতকানিয়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই আক্রমণ ঘটে।

নিহত শাহাদাত উপজেলার উত্তর ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মরহুম মোহাম্মদ শফিকুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশের সাতকানিয়া মডেল মসজিদের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন শাহাদাত। হঠাৎ করেই দুই থেকে চারটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে ১০-১৫ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী পৌঁছে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর আকস্মিক হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উঁচিয়ে তাকানকে ভয় দেখিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যाग করে। গুরুতর আহত শাহাদাতকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সিএমচি) পাঠানো হয়। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি সোমবার ভোররাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন সংবাদigroupকে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই সাধারণভাবে দোকানে বসেছিল। হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী এসে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এখনও লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি, তবে পুলিশ মাঠে উপস্থিত থেকে ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ করছে এবং তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

স্থানীয়দের মধ্যে এই হামলার প্রতিবাদ ও নীরব না থাকার আবেগ দেখা যাচ্ছে। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী ও সম্ভাব্য সূত্র অনুসন্ধান করে নাছোড়বান্দা তদন্ত পরিচালনা করছে, যাতে দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা যায় এবং বিচারের সম্মুখে আনা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সাতকানিয়ায় চায়ের দোকানে হামলা: যুবক শাহাদাতের মৃত্যু

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গত রোববার রাতে মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের বীভৎস হামলায় মুহাম্মদ শাহাদাত (৩০) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়ে সোমবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার সময় সন্ধ্যার পর নয়, রাত ১১টার দিকে সাতকানিয়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই আক্রমণ ঘটে।

নিহত শাহাদাত উপজেলার উত্তর ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মরহুম মোহাম্মদ শফিকুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশের সাতকানিয়া মডেল মসজিদের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন শাহাদাত। হঠাৎ করেই দুই থেকে চারটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে ১০-১৫ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী পৌঁছে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর আকস্মিক হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উঁচিয়ে তাকানকে ভয় দেখিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যाग করে। গুরুতর আহত শাহাদাতকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সিএমচি) পাঠানো হয়। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি সোমবার ভোররাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন সংবাদigroupকে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই সাধারণভাবে দোকানে বসেছিল। হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী এসে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এখনও লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি, তবে পুলিশ মাঠে উপস্থিত থেকে ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ করছে এবং তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

স্থানীয়দের মধ্যে এই হামলার প্রতিবাদ ও নীরব না থাকার আবেগ দেখা যাচ্ছে। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী ও সম্ভাব্য সূত্র অনুসন্ধান করে নাছোড়বান্দা তদন্ত পরিচালনা করছে, যাতে দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা যায় এবং বিচারের সম্মুখে আনা হয়।