১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বন্ধ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ ১৬ ডিআইজি ও একজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে মনিরা শারমিনের আবেদন: নুসরাত তাবাসসুমের এমপি গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখার অনুরোধ মনিরা শারমিনের আবেদন: নুসরাত তাবাসসুমের এমপি গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ সিসি নোটিশে হাজিরা না করলে সমন বা গ্রেপ্তারি—ডিএমপি ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে কাজ শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১১৫ থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র–সরঞ্জাম ব্যবহার করে ডাকাতি: র‍্যাব দুই গ্রেপ্তার মিরপুরের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রহস্যময় আগুন; ৮৩টি ল্যাপটপ অনুপস্থিত

৩-০ এগিয়ে থেকেও নাটকীয়ভাবে হারল ইন্টার মায়ামি — মেসির উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে জয় এল না

লিওনেল মেসির ব্যক্তিগত ঝলকে রঙিন ছিল ম্যাচের প্রথমার্ধ, তবু মাঠেই লজ্জার এক শন’où হয়ে রইল ইন্টার মায়ামির খেলাও। নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়ামে চতুর্থ ম্যাচে জয় মেলেনি মায়ামির, যে হার সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটের মধ্যেই ওরল্যান্ডো সিটির বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে গেলেও রক্ষণের ধীরগতি ও আত্মতুষ্টির ফলে তারা অবিশ্বাস্যভাবে ৪-৩ গোলে পরাজিত হলো।

শুরু থেকেই মায়ামি domine করছিল—মেসির ব্যানারে অধিনায়কের দেখা মিলছিল। খেলার চতুর্থ মিনিটে মেসির বাড়ানো বল থেকে ইয়ান ফ্রে দলকে এগিয়ে দেন। ২৫ মিনিটে আবার মেসির জাদুকরী পাস থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়া গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩৩ মিনিটে মেসি নিজেই বাঁ পায়ের এক নিখুঁত বাঁকানো শটে জালে বল পাঠালে মনে হয়েছিল জয় নিশ্চিত। প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে মায়ামিরই প্রাধান্য ছিল।

তবে ৩-০ এগিয়ে যাওয়ার পরই রক্ষণভাগে ফাটল দেখা যায়। ওরল্যান্ডো সিটি হঠাৎ লড়বে বলে সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিকারের তৎপরতা দেখা যায়—৩৯ মিনিটে মার্টিন ওজেদার গোল ম্যাচকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ পুরোপুরি বদলে যায়। ৬৮ মিনিটে ওজেদা নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনেন। ৭৮ মিনিটে সফল পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে তিনি ম্যাচে সমতা ফেরান এবং মায়ামির সব আক্রমণাত্মক রণকৌশল ব্যর্থ হয়ে পড়ে।

পরক্ষণে ম্যাচ ড্র হওয়ার আশা জেগে উঠলেও যোগ করা সময়ে—মুখ থ্রিড মিনিটে—টাইরিস স্পাইসার গোল করে ওরল্যান্ডোর বিপুল এবং নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন। পরিসংখ্যানও মায়ামিরই কথা বললেও ফলাফলটা তাদের পক্ষে যায়নি: ম্যাচে ৬৪ শতাংশ বল দখল ও ২৬টি শট নিলেও কার্যকর ফিনিশিংর অভাবে তারা জয়ের দেখা পায়নি।

এই ম্যাচে মেসি ব্যক্তিগতভাবে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করে উজ্জ্বল ছিলেন, কিন্তু দলের রক্ষণভাগের অনিয়ম এবং প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার ফলে সেই উজ্জ্বলতা কাজে লাগেনি। ম্যাচের পর ফুটবল বিশ্লেষকদের তীব্র সমালোচনা রক্ষণের ওপর ঝোঁক করে—বড় লিড ধরে রাখার অভাব এখন কোচ ও খেলোয়াড়দের পরিচালনাগত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দ্রুত উত্তর না আসে, লিগ টেবিলের শীর্ষে টিকে থাকা মায়ামির জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ

৩-০ এগিয়ে থেকেও নাটকীয়ভাবে হারল ইন্টার মায়ামি — মেসির উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে জয় এল না

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

লিওনেল মেসির ব্যক্তিগত ঝলকে রঙিন ছিল ম্যাচের প্রথমার্ধ, তবু মাঠেই লজ্জার এক শন’où হয়ে রইল ইন্টার মায়ামির খেলাও। নতুন ঠিকানা নু স্টেডিয়ামে চতুর্থ ম্যাচে জয় মেলেনি মায়ামির, যে হার সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটের মধ্যেই ওরল্যান্ডো সিটির বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে গেলেও রক্ষণের ধীরগতি ও আত্মতুষ্টির ফলে তারা অবিশ্বাস্যভাবে ৪-৩ গোলে পরাজিত হলো।

শুরু থেকেই মায়ামি domine করছিল—মেসির ব্যানারে অধিনায়কের দেখা মিলছিল। খেলার চতুর্থ মিনিটে মেসির বাড়ানো বল থেকে ইয়ান ফ্রে দলকে এগিয়ে দেন। ২৫ মিনিটে আবার মেসির জাদুকরী পাস থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়া গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩৩ মিনিটে মেসি নিজেই বাঁ পায়ের এক নিখুঁত বাঁকানো শটে জালে বল পাঠালে মনে হয়েছিল জয় নিশ্চিত। প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে মায়ামিরই প্রাধান্য ছিল।

তবে ৩-০ এগিয়ে যাওয়ার পরই রক্ষণভাগে ফাটল দেখা যায়। ওরল্যান্ডো সিটি হঠাৎ লড়বে বলে সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিকারের তৎপরতা দেখা যায়—৩৯ মিনিটে মার্টিন ওজেদার গোল ম্যাচকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ পুরোপুরি বদলে যায়। ৬৮ মিনিটে ওজেদা নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনেন। ৭৮ মিনিটে সফল পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে তিনি ম্যাচে সমতা ফেরান এবং মায়ামির সব আক্রমণাত্মক রণকৌশল ব্যর্থ হয়ে পড়ে।

পরক্ষণে ম্যাচ ড্র হওয়ার আশা জেগে উঠলেও যোগ করা সময়ে—মুখ থ্রিড মিনিটে—টাইরিস স্পাইসার গোল করে ওরল্যান্ডোর বিপুল এবং নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন। পরিসংখ্যানও মায়ামিরই কথা বললেও ফলাফলটা তাদের পক্ষে যায়নি: ম্যাচে ৬৪ শতাংশ বল দখল ও ২৬টি শট নিলেও কার্যকর ফিনিশিংর অভাবে তারা জয়ের দেখা পায়নি।

এই ম্যাচে মেসি ব্যক্তিগতভাবে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করে উজ্জ্বল ছিলেন, কিন্তু দলের রক্ষণভাগের অনিয়ম এবং প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার ফলে সেই উজ্জ্বলতা কাজে লাগেনি। ম্যাচের পর ফুটবল বিশ্লেষকদের তীব্র সমালোচনা রক্ষণের ওপর ঝোঁক করে—বড় লিড ধরে রাখার অভাব এখন কোচ ও খেলোয়াড়দের পরিচালনাগত বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দ্রুত উত্তর না আসে, লিগ টেবিলের শীর্ষে টিকে থাকা মায়ামির জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করে থাকবে।