০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারিতে নিরাপদে পারাপারে সহায়তার উদ্দেশ্যে চালু করা ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশটি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অবরোধ পূর্ণমাত্রায় কার্যকর থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিকভাবে বোঝাপড়া ও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য এ বিরতি দরকার। ট্রাম্পের কথায়, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িক স্থগিত থাকলেও ইরানের বন্দরের ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো তা ‘বিজয়’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং বলেছে, বিবিধ ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ থেকে পিছু হটছে। কড়া প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীটি আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করে প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ; বিশ্বের আনুমানিক এক পঞ্চমাংশ তেল, গ্যাস ও জ্বালানি এখান দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান সেই নৌপথে অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় শতাধিক জাহাজ আটকে পড়ে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে গত ৪ মে ট্রাম্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন, যাতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বহন করার ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু এখন তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলো, যাতে কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করা যায়।

ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্টতা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মনোযোগ কড়া থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারিতে নিরাপদে পারাপারে সহায়তার উদ্দেশ্যে চালু করা ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশটি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অবরোধ পূর্ণমাত্রায় কার্যকর থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিকভাবে বোঝাপড়া ও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য এ বিরতি দরকার। ট্রাম্পের কথায়, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িক স্থগিত থাকলেও ইরানের বন্দরের ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো তা ‘বিজয়’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং বলেছে, বিবিধ ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ থেকে পিছু হটছে। কড়া প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীটি আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করে প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ; বিশ্বের আনুমানিক এক পঞ্চমাংশ তেল, গ্যাস ও জ্বালানি এখান দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান সেই নৌপথে অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় শতাধিক জাহাজ আটকে পড়ে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে গত ৪ মে ট্রাম্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন, যাতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বহন করার ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু এখন তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলো, যাতে কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করা যায়।

ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্টতা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মনোযোগ কড়া থাকবে।