১২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ইপিআই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল সিদ্ধান্তে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাবতলী হাট পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: সড়কে কোনো চাঁদাবাজি হবে না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা ১৭ মন্ত্রণালয়ের ৩৮টি অডিট রিপোর্ট, সংসদে উপস্থাপন করা হবে স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নয়, মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নবনির্বাচিত সংরক্ষিত নারী এমপিরা জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা বন্ধ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ ১৬ ডিআইজি ও একজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে মনিরা শারমিনের আবেদন: নুসরাত তাবাসসুমের এমপি গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখার অনুরোধ

হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারিতে নিরাপদে পারাপারে সহায়তার উদ্দেশ্যে চালু করা ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশটি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অবরোধ পূর্ণমাত্রায় কার্যকর থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিকভাবে বোঝাপড়া ও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য এ বিরতি দরকার। ট্রাম্পের কথায়, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িক স্থগিত থাকলেও ইরানের বন্দরের ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো তা ‘বিজয়’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং বলেছে, বিবিধ ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ থেকে পিছু হটছে। কড়া প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীটি আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করে প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ; বিশ্বের আনুমানিক এক পঞ্চমাংশ তেল, গ্যাস ও জ্বালানি এখান দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান সেই নৌপথে অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় শতাধিক জাহাজ আটকে পড়ে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে গত ৪ মে ট্রাম্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন, যাতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বহন করার ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু এখন তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলো, যাতে কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করা যায়।

ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্টতা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মনোযোগ কড়া থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গাবতলী হাট পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: সড়কে কোনো চাঁদাবাজি হবে না

হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারিতে নিরাপদে পারাপারে সহায়তার উদ্দেশ্যে চালু করা ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশটি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অবরোধ পূর্ণমাত্রায় কার্যকর থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিকভাবে বোঝাপড়া ও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য এ বিরতি দরকার। ট্রাম্পের কথায়, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িক স্থগিত থাকলেও ইরানের বন্দরের ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো তা ‘বিজয়’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং বলেছে, বিবিধ ব্যর্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ থেকে পিছু হটছে। কড়া প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীটি আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করে প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ; বিশ্বের আনুমানিক এক পঞ্চমাংশ তেল, গ্যাস ও জ্বালানি এখান দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান সেই নৌপথে অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় শতাধিক জাহাজ আটকে পড়ে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে গত ৪ মে ট্রাম্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন, যাতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে বহন করার ব্যবস্থা রাখা হয়। কিন্তু এখন তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলো, যাতে কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত করা যায়।

ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্টতা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মনোযোগ কড়া থাকবে।