০৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল কাতার চার খাতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী লন্ডনে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫ দুই দিনব্যাপী সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু — একযোগে প্রায় ৩৭,৫০০ যাত্রী পাবেন উচ্চগতির ইন্টারনেট শাহরাস্তিতে সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

শরণখোলা উপকূলজুড়ে আকন্দ ফুলের নীরব সৌন্দর্য

গ্রীষ্মের এই সময়টায় উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা বিভিন্ন সড়ক ও বেড়িবাঁধজুড়ে আকন্দ ফুলে ফুটে উঠেছে। সাদা ও হালকা বেগুনি রঙের এই বুনো ফুলগুলো এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়ছে। বিশেষ করে বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে জন্মানো আকন্দ গাছগুলো যেন উপকূলীয় প্রকৃতিকে নতুন সাজে সাজিয়ে তুলেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বছরের এই মৌসুমে আকন্দ গাছে সবচেয়ে বেশি ফুল হয়। কোনো বিশেষ পরিচর্যা ছাড়াই ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়া এই গাছগুলোর সৌন্দর্য উপকূলীয় এলাকাকে আরও মনোরম করেছে। সকাল-বিকেলে চলাচলকারী পথচারীরা এই নীরব সৌন্দর্য উপভোগ করছেন এবং মাঝে মাঝে থেমে ছবি তুলছেন।

চালরায়েন্দার বাসিন্দা খোকন হাওলাদার বলেন, ‘আগে এই ফুলকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। এখন রাস্তার ধারে এত ফুল ফুটতে দেখে খুব ভালো লাগে। মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উপকূলকে সাজিয়ে তুলেছে।’

উদ্ভিদপ্রেমী ও স্থানীয় শিক্ষক ইলিয়াস মিলন জানান, ‘আকন্দ শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি একটি ভেষজ গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামীণ জীবনে এর নানা ব্যবহার রয়েছে। দেশের স্থানীয় উদ্ভিদ হিসেবে এসব গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

উপকূল জুড়ে নীরবভাবে ছড়িয়ে পড়া আকন্দের ঢেউ দর্শনীয় এক চিত্র গড়ে উঠিয়েছে। গ্রীষ্মের এই সময়টায় ফুলে ভরা আকন্দ গাছ প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে এক প্রশান্তি এনে দিচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল

শরণখোলা উপকূলজুড়ে আকন্দ ফুলের নীরব সৌন্দর্য

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

গ্রীষ্মের এই সময়টায় উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা বিভিন্ন সড়ক ও বেড়িবাঁধজুড়ে আকন্দ ফুলে ফুটে উঠেছে। সাদা ও হালকা বেগুনি রঙের এই বুনো ফুলগুলো এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়ছে। বিশেষ করে বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে জন্মানো আকন্দ গাছগুলো যেন উপকূলীয় প্রকৃতিকে নতুন সাজে সাজিয়ে তুলেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বছরের এই মৌসুমে আকন্দ গাছে সবচেয়ে বেশি ফুল হয়। কোনো বিশেষ পরিচর্যা ছাড়াই ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়া এই গাছগুলোর সৌন্দর্য উপকূলীয় এলাকাকে আরও মনোরম করেছে। সকাল-বিকেলে চলাচলকারী পথচারীরা এই নীরব সৌন্দর্য উপভোগ করছেন এবং মাঝে মাঝে থেমে ছবি তুলছেন।

চালরায়েন্দার বাসিন্দা খোকন হাওলাদার বলেন, ‘আগে এই ফুলকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। এখন রাস্তার ধারে এত ফুল ফুটতে দেখে খুব ভালো লাগে। মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উপকূলকে সাজিয়ে তুলেছে।’

উদ্ভিদপ্রেমী ও স্থানীয় শিক্ষক ইলিয়াস মিলন জানান, ‘আকন্দ শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি একটি ভেষজ গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামীণ জীবনে এর নানা ব্যবহার রয়েছে। দেশের স্থানীয় উদ্ভিদ হিসেবে এসব গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

উপকূল জুড়ে নীরবভাবে ছড়িয়ে পড়া আকন্দের ঢেউ দর্শনীয় এক চিত্র গড়ে উঠিয়েছে। গ্রীষ্মের এই সময়টায় ফুলে ভরা আকন্দ গাছ প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে এক প্রশান্তি এনে দিচ্ছে।