০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদে আসছে ‘মাসুদ রানা’—প্রকাশ পেল প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার

বহুদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে বড় পর্দায় জীবন্ত হতে চলেছে কালজয়ী গোয়েন্দা চরিত্র ‘মাসুদ রানা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটির প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে প্রযোজনা দল জানায় যে পাঠকের প্রিয় এই স্পাই চরিত্র এবার বইয়ের পাতাকে ছেড়ে সেলুলয়েডে আসছে। পোস্টারটি সেবা প্রকাশনীর ক্লাসিক বইগুলোর প্রচ্ছদের আভিজাত্যের অনুকরণে তৈরি হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে তীব্র নস্টালজিয়া জাগিয়েছে।

জাজ মাল্টিমিডিয়া ২০২০ সালে কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট ‘মাসুদ রানা’ নিয়ে দুইটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে একটির শিরোনাম ছিল ‘এমআর-৯: ডু অর ডাই’, যা ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে। অন্যটি, পরিচালক সৈকত নাসির পরিচালিত এই ‘মাসুদ রানা’ ছবি নানা কারণে কিছু সময় আটকে থাকলেও সম্প্রতি তার টেকনিক্যাল কাজ সম্পন্ন হয়ে মুক্তির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানানো হয়েছে। প্রয়াত লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন নিজে ছবির চিত্রনাট্য অনুমোদন করেছিলেন বলে প্রযোজক আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন। জাজ মাল্টিমিডিয়া বলছে, এটি তাদের অন্যতম ব্যয়বহুল প্রজেক্ট এবং গল্পটি বড় পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তাঁরা পুরো মনোযোগ দিয়েছি।

চিত্রনাট্য ও প্রধান শুটিংয়ের কাজ প্রায় পাঁচ বছর আগে শেষ হলেও পরে একটি বিশেষ গান ও কয়েকটি ছোট দৃশ্য রিমেইনের থাকায় মুক্তি পিছিয়ে যায়। এসব পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ শেষ হওয়ায় এখন ছবিটি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয় চরিত্রটিকে বড় পর্দায় দেখার বাতাবরণ তৈরি হওয়ায় সাধারণ দর্শক ও সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষণীয়ভাবে বাড়ছে।

নামের ভূমিকায় দেখা যাবে রেসেল রানাকে। তাঁর বিপরীতে গোয়েন্দা চরিত্র ‘সোহানা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা চেরি। এছাড়া অবনিতা চরিত্রে রয়েছেন সৈয়দা তিথি অমনি। পরিচালক বলেন, ছবিতে মাসুদ রানার অদম্য সাহসিকতা ও রহস্যময় জগতকে সমসাময়িকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রেসেল রানার লড়াকু চরিত্রভঙ্গি এবং পূজা চেরির গ্ল্যামারাস উপস্থিতি সিনেমাটিকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে—যেমনটি দর্শকরা আশা করছেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ে দেশজুড়ে থিয়েটার ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ‘মাসুদ রানা’। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছে। গোয়েন্দাভিত্তিক এই অ্যাকশন থ্রিলার কেবল বিনোদন নয়, বাংলা সাহিত্যের এক কিংবদন্তি চরিত্রকে নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনের এক স্বাভাবিক উদ্যোগও বটে। এখন দেখার বিষয়, বইয়ের পাতার সেই অপরাজেয় মাসুদ রানা বড় পর্দার দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করতে সক্ষম হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদে আসছে ‘মাসুদ রানা’—প্রকাশ পেল প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বহুদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে বড় পর্দায় জীবন্ত হতে চলেছে কালজয়ী গোয়েন্দা চরিত্র ‘মাসুদ রানা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটির প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে প্রযোজনা দল জানায় যে পাঠকের প্রিয় এই স্পাই চরিত্র এবার বইয়ের পাতাকে ছেড়ে সেলুলয়েডে আসছে। পোস্টারটি সেবা প্রকাশনীর ক্লাসিক বইগুলোর প্রচ্ছদের আভিজাত্যের অনুকরণে তৈরি হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে তীব্র নস্টালজিয়া জাগিয়েছে।

জাজ মাল্টিমিডিয়া ২০২০ সালে কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট ‘মাসুদ রানা’ নিয়ে দুইটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে একটির শিরোনাম ছিল ‘এমআর-৯: ডু অর ডাই’, যা ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে। অন্যটি, পরিচালক সৈকত নাসির পরিচালিত এই ‘মাসুদ রানা’ ছবি নানা কারণে কিছু সময় আটকে থাকলেও সম্প্রতি তার টেকনিক্যাল কাজ সম্পন্ন হয়ে মুক্তির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানানো হয়েছে। প্রয়াত লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন নিজে ছবির চিত্রনাট্য অনুমোদন করেছিলেন বলে প্রযোজক আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন। জাজ মাল্টিমিডিয়া বলছে, এটি তাদের অন্যতম ব্যয়বহুল প্রজেক্ট এবং গল্পটি বড় পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তাঁরা পুরো মনোযোগ দিয়েছি।

চিত্রনাট্য ও প্রধান শুটিংয়ের কাজ প্রায় পাঁচ বছর আগে শেষ হলেও পরে একটি বিশেষ গান ও কয়েকটি ছোট দৃশ্য রিমেইনের থাকায় মুক্তি পিছিয়ে যায়। এসব পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ শেষ হওয়ায় এখন ছবিটি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয় চরিত্রটিকে বড় পর্দায় দেখার বাতাবরণ তৈরি হওয়ায় সাধারণ দর্শক ও সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষণীয়ভাবে বাড়ছে।

নামের ভূমিকায় দেখা যাবে রেসেল রানাকে। তাঁর বিপরীতে গোয়েন্দা চরিত্র ‘সোহানা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা চেরি। এছাড়া অবনিতা চরিত্রে রয়েছেন সৈয়দা তিথি অমনি। পরিচালক বলেন, ছবিতে মাসুদ রানার অদম্য সাহসিকতা ও রহস্যময় জগতকে সমসাময়িকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রেসেল রানার লড়াকু চরিত্রভঙ্গি এবং পূজা চেরির গ্ল্যামারাস উপস্থিতি সিনেমাটিকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে—যেমনটি দর্শকরা আশা করছেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ে দেশজুড়ে থিয়েটার ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ‘মাসুদ রানা’। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছে। গোয়েন্দাভিত্তিক এই অ্যাকশন থ্রিলার কেবল বিনোদন নয়, বাংলা সাহিত্যের এক কিংবদন্তি চরিত্রকে নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনের এক স্বাভাবিক উদ্যোগও বটে। এখন দেখার বিষয়, বইয়ের পাতার সেই অপরাজেয় মাসুদ রানা বড় পর্দার দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করতে সক্ষম হবে।