০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

বিএনপি: পৃথক সচিবালয় মানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দ্বার বন্ধ হয়নি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে—এটি সঠিক বিবরণ নয়। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ফের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, যেসব জুডিশিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের কাজে নিয়োজিত ছিলেন, গেজেটের মাধ্যমে তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কারণ সংশ্লিষ্ট অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপদান হয়নি এবং সংসদে পাসও হয়নি—তাই তারা কীভাবে আদৌ সেক্রেটারিয়েটে কার্যাদেশ পালন করবে। এজন্য আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড থাকবেন, পরে তাঁদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল স্পষ্ট করে বলেন, ‘‘এর মানে এই না যে সেপারেট সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আলাদা সচিবালয় নিয়ে বিএনপির যে ভাবনা ও দাবি রয়েছে, সেগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক এবং বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার হিসেবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানাবে।

তিনি আরও জানান, পূর্বে গঠন করা যে কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না, তাই বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপন হয়নি। এজন্য বিএনপি মনে করছে ওই অর্ডিন্যান্সটি পরিপূর্ণ বা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। ফলে ভবিষ্যতে সংসদে বিএনপি একটি বিস্তৃত, সমন্বিত বিল আকারে বিষয়টি উপস্থাপন করবে যাতে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়। ‘‘এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই এবং অপ্রয়োজিত ভিন্ন মন্তব্যের প্রয়োজনও নেই,’’ তিনি বলেন।

আদালত অবমাননার অপর প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, ‘‘এখানে আদালত অবমাননার কোনো বিষয় নেই। বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনভাবে বিল আনব, যাতে পরবর্তীতে এই বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

বিএনপি: পৃথক সচিবালয় মানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দ্বার বন্ধ হয়নি

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে—এটি সঠিক বিবরণ নয়। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ফের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, যেসব জুডিশিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের কাজে নিয়োজিত ছিলেন, গেজেটের মাধ্যমে তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কারণ সংশ্লিষ্ট অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপদান হয়নি এবং সংসদে পাসও হয়নি—তাই তারা কীভাবে আদৌ সেক্রেটারিয়েটে কার্যাদেশ পালন করবে। এজন্য আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড থাকবেন, পরে তাঁদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল স্পষ্ট করে বলেন, ‘‘এর মানে এই না যে সেপারেট সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আলাদা সচিবালয় নিয়ে বিএনপির যে ভাবনা ও দাবি রয়েছে, সেগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক এবং বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার হিসেবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানাবে।

তিনি আরও জানান, পূর্বে গঠন করা যে কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না, তাই বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপন হয়নি। এজন্য বিএনপি মনে করছে ওই অর্ডিন্যান্সটি পরিপূর্ণ বা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। ফলে ভবিষ্যতে সংসদে বিএনপি একটি বিস্তৃত, সমন্বিত বিল আকারে বিষয়টি উপস্থাপন করবে যাতে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়। ‘‘এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই এবং অপ্রয়োজিত ভিন্ন মন্তব্যের প্রয়োজনও নেই,’’ তিনি বলেন।

আদালত অবমাননার অপর প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, ‘‘এখানে আদালত অবমাননার কোনো বিষয় নেই। বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনভাবে বিল আনব, যাতে পরবর্তীতে এই বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’