০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক মুফতি মুহিব্বুল্লাহ হিলবাকী ইসি জানালেন: স্থানীয় সরকার ভোটেও পোস্টার থাকবে না দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা — নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত পল্লবীর রামিসা হত্যায় প্রধান আসামি সোহেল নৃশংস স্বীকারোক্তি রামিসা হত্যা: প্রধান অভিযুক্ত সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন—ডিবি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সংকেত ইপিআই’র সঙ্গে নিয়মিতভাবে হামের টিকা চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাটছাঁট সত্ত্বেও প্রয়োজন ৩৭ হাজার কোটি টাকা পাসপোর্টে ফের যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ ২০২৬-২৭ বাজেটে সামাজিক সুরক্ষায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বরাদ্দ

বিএনপি: পৃথক সচিবালয় মানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দ্বার বন্ধ হয়নি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে—এটি সঠিক বিবরণ নয়। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ফের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, যেসব জুডিশিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের কাজে নিয়োজিত ছিলেন, গেজেটের মাধ্যমে তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কারণ সংশ্লিষ্ট অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপদান হয়নি এবং সংসদে পাসও হয়নি—তাই তারা কীভাবে আদৌ সেক্রেটারিয়েটে কার্যাদেশ পালন করবে। এজন্য আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড থাকবেন, পরে তাঁদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল স্পষ্ট করে বলেন, ‘‘এর মানে এই না যে সেপারেট সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আলাদা সচিবালয় নিয়ে বিএনপির যে ভাবনা ও দাবি রয়েছে, সেগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক এবং বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার হিসেবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানাবে।

তিনি আরও জানান, পূর্বে গঠন করা যে কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না, তাই বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপন হয়নি। এজন্য বিএনপি মনে করছে ওই অর্ডিন্যান্সটি পরিপূর্ণ বা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। ফলে ভবিষ্যতে সংসদে বিএনপি একটি বিস্তৃত, সমন্বিত বিল আকারে বিষয়টি উপস্থাপন করবে যাতে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়। ‘‘এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই এবং অপ্রয়োজিত ভিন্ন মন্তব্যের প্রয়োজনও নেই,’’ তিনি বলেন।

আদালত অবমাননার অপর প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, ‘‘এখানে আদালত অবমাননার কোনো বিষয় নেই। বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনভাবে বিল আনব, যাতে পরবর্তীতে এই বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইসি জানালেন: স্থানীয় সরকার ভোটেও পোস্টার থাকবে না

বিএনপি: পৃথক সচিবালয় মানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দ্বার বন্ধ হয়নি

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে—এটি সঠিক বিবরণ নয়। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ফের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, যেসব জুডিশিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের কাজে নিয়োজিত ছিলেন, গেজেটের মাধ্যমে তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কারণ সংশ্লিষ্ট অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপদান হয়নি এবং সংসদে পাসও হয়নি—তাই তারা কীভাবে আদৌ সেক্রেটারিয়েটে কার্যাদেশ পালন করবে। এজন্য আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড থাকবেন, পরে তাঁদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল স্পষ্ট করে বলেন, ‘‘এর মানে এই না যে সেপারেট সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আলাদা সচিবালয় নিয়ে বিএনপির যে ভাবনা ও দাবি রয়েছে, সেগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক এবং বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার হিসেবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানাবে।

তিনি আরও জানান, পূর্বে গঠন করা যে কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না, তাই বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপন হয়নি। এজন্য বিএনপি মনে করছে ওই অর্ডিন্যান্সটি পরিপূর্ণ বা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। ফলে ভবিষ্যতে সংসদে বিএনপি একটি বিস্তৃত, সমন্বিত বিল আকারে বিষয়টি উপস্থাপন করবে যাতে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়। ‘‘এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই এবং অপ্রয়োজিত ভিন্ন মন্তব্যের প্রয়োজনও নেই,’’ তিনি বলেন।

আদালত অবমাননার অপর প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, ‘‘এখানে আদালত অবমাননার কোনো বিষয় নেই। বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনভাবে বিল আনব, যাতে পরবর্তীতে এই বিষয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’