০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চিফ হুইপ: সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার শেষ হতে পারে জাতীয় সংসদ ভবনে অন-গ্রিড সৌর রুফটপ প্রকল্পের উদ্বোধন রোহিঙ্গা সংকট জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে নবায়নযোগ্য অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উদ্বোধন রেলসচিব: ঈদযাত্রায় বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই রামিসা হত্যাকাণ্ডে সারা জাতি শোকাহত ও ক্ষুব্ধ: তথ্যমন্ত্রী হাম মোকাবিলায় চিকিৎসকদের ঈদে ছুটি বাতিল ঘোষণা—স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নজরুলের ‘রুম ঝুম’ দিয়ে ফিরল কোক স্টুডিও বাংলা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কোকা-কোলা বাংলাদেশের জনপ্রিয় আয়োজনের পর্দা উঠল—কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ সিজন কার্যত শুরু হয়েছে। গত শনিবার (২৩ মে), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ সাংস্কৃতিক স্মারক হিসেবে ক্লাসিক নজরুল সংগীত ‘রুম ঝুম’ প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সিজনের যাত্রা শুরুর ঘোষণা করা হয়।

এই উদ্বোধনী গানে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সংযোগই প্রধান আকর্ষণ। ‘রুম ঝুম’-এর মূল সুরটি মূলত অটোমান-তুর্কি লোকসঙ্গীত ‘Üsküdara Giderken’ থেকে নেওয়া—নজরুল সেই সুরকে অন্বেষণ করে নিজস্ব বাংলা বর্ষাকাব্যে রূপান্তর করেছিলেন। কোক স্টুডিও বাংলা চতুর্থ সিজনে সেই বৈশ্বিক ও স্থানীয় সুরের মেলবন্ধনকে আধুনিক ফিউশনে উজ্জীবিত করেছে, ফলে গানটি একই সঙ্গে ক্লাসিক ও নতুন ভাবের সংমিশ্রণ হয়ে উঠেছে।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তরুণ জনপ্রিয় শিল্পী মাহতিম শাকিব ও নুসরাত জাহান। তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোলাবরেশনে জড়িয়েছেন তুর্কি শিল্পী আলিফ হান্দে সেভগেল এবং মোস্তফা ইপেক। এই কাজের মাধ্যমে মাহতিম শাকিব কোক স্টুডিও বাংলার মঞ্চে অভিষেক করেছেন এবং নুসরাতও নতুন কণ্ঠ হিসেবে জোরালোভাবে নিজেকে পরিচয় করিয়েছেন। সংগীত পরিচালক শুভেন্দু দাস তুর্কি ও বাংলা সুরের মধ্যে সূক্ষ্ম সেতুবন্ধন গড়ে তুলে গানটিকে সমৃদ্ধ করেছেন।

মাহতিম শাকিব জানিয়েছেন, এমন একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠা তাঁর জন্য গৌরবের। নুসরাত বলছেন, গানটি ব্যক্তি হিসেবে তাঁর কাছে খুবই অর্থবহ, এবং শুভেন্দু দাসের মেন্টরশিপে এই বড় প্ল্যাটফর্মে শুরু করা তাঁর এক ধরনের স্বপ্নপূরণ।

কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ সিজনে মোট আটটি গান থাকবে, প্রতিটি গান আলাদা আবেগ ও সুরের ভাষায় কথোপকথন করবে। আয়োজকদের লক্ষ্য—মূলধারার শাখা-প্রশাখা ধরে আমাদের শেকড় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে সেটাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা। প্রথম গানটির আন্তর্জাতিক সাড়া ও প্রতিক্রিয়া দেখে মনে করা হচ্ছে এবারের সিজন দর্শকদের জন্য নতুন ধরণের চমক ও গভীর সুরের অভিজ্ঞতা আনবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু

নজরুলের ‘রুম ঝুম’ দিয়ে ফিরল কোক স্টুডিও বাংলা

প্রকাশিতঃ ০৭:২১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কোকা-কোলা বাংলাদেশের জনপ্রিয় আয়োজনের পর্দা উঠল—কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ সিজন কার্যত শুরু হয়েছে। গত শনিবার (২৩ মে), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ সাংস্কৃতিক স্মারক হিসেবে ক্লাসিক নজরুল সংগীত ‘রুম ঝুম’ প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সিজনের যাত্রা শুরুর ঘোষণা করা হয়।

এই উদ্বোধনী গানে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সংযোগই প্রধান আকর্ষণ। ‘রুম ঝুম’-এর মূল সুরটি মূলত অটোমান-তুর্কি লোকসঙ্গীত ‘Üsküdara Giderken’ থেকে নেওয়া—নজরুল সেই সুরকে অন্বেষণ করে নিজস্ব বাংলা বর্ষাকাব্যে রূপান্তর করেছিলেন। কোক স্টুডিও বাংলা চতুর্থ সিজনে সেই বৈশ্বিক ও স্থানীয় সুরের মেলবন্ধনকে আধুনিক ফিউশনে উজ্জীবিত করেছে, ফলে গানটি একই সঙ্গে ক্লাসিক ও নতুন ভাবের সংমিশ্রণ হয়ে উঠেছে।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তরুণ জনপ্রিয় শিল্পী মাহতিম শাকিব ও নুসরাত জাহান। তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোলাবরেশনে জড়িয়েছেন তুর্কি শিল্পী আলিফ হান্দে সেভগেল এবং মোস্তফা ইপেক। এই কাজের মাধ্যমে মাহতিম শাকিব কোক স্টুডিও বাংলার মঞ্চে অভিষেক করেছেন এবং নুসরাতও নতুন কণ্ঠ হিসেবে জোরালোভাবে নিজেকে পরিচয় করিয়েছেন। সংগীত পরিচালক শুভেন্দু দাস তুর্কি ও বাংলা সুরের মধ্যে সূক্ষ্ম সেতুবন্ধন গড়ে তুলে গানটিকে সমৃদ্ধ করেছেন।

মাহতিম শাকিব জানিয়েছেন, এমন একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠা তাঁর জন্য গৌরবের। নুসরাত বলছেন, গানটি ব্যক্তি হিসেবে তাঁর কাছে খুবই অর্থবহ, এবং শুভেন্দু দাসের মেন্টরশিপে এই বড় প্ল্যাটফর্মে শুরু করা তাঁর এক ধরনের স্বপ্নপূরণ।

কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ সিজনে মোট আটটি গান থাকবে, প্রতিটি গান আলাদা আবেগ ও সুরের ভাষায় কথোপকথন করবে। আয়োজকদের লক্ষ্য—মূলধারার শাখা-প্রশাখা ধরে আমাদের শেকড় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে সেটাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা। প্রথম গানটির আন্তর্জাতিক সাড়া ও প্রতিক্রিয়া দেখে মনে করা হচ্ছে এবারের সিজন দর্শকদের জন্য নতুন ধরণের চমক ও গভীর সুরের অভিজ্ঞতা আনবে।