১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সায়েদাবাদে ঈদযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়, অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সোমবার থেকে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষের ঢেউ। সকাল থেকেই সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, টিকিট সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগে ছুটির আগের দিনগুলোতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

অগ্রিম টিকিট না পাবার কারণে অনেক যাত্রী কৌতূহল ও দুশ্চিন্তার মধ্যে টার্মিনালে অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে যারা আগে থেকে টিকিট পাবেননি, তাদেরকে বড় দূরপাল্লার বাসে সিট না পাওয়ার পর লোকাল বাসে দাঁড়িয়েই অথবা কখনো বাসের ইঞ্জিনের ওপর বসে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, কিছু পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি টিকিট সংকটকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি রুটেই অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলগামী দূরপাল্লার কিছু বাসে প্রতিজন যাত্রী থেকে ২০০–৩০০ টাকা অতিরিক্ত ধার্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বরিশালগামী এক যাত্রী জসিম বলেন, নিয়মিত ৫০০ টাকার টিকিট এখন ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবু টিকিট নিয়ে বাস না ছাড়ায় অনেককে দীর্ঘ সময় টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও খুলনা রুটেও ভাড়ার নৈরাজ্য দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের কথায়, ঢাকা–চট্টগ্রাম নন-এসি বাসের নিয়মিত ভাড়া ৭০০–৮০০ টাকা হলেও এখন ৯০০–১০০০ টাকায় নেওয়া হচ্ছে। আবার খুলনাগামী বাসে ৭০০ টাকার ভাড়া বেড়ে ১০০০ টাকা হয়েছে। পাশাপাশি ঘরমুখো ভিড়ের কারণে লোকাল বাসগুলোতেও যাত্রী ঠাসাঠাসি করতে দেখা যায়; অনেক সময় আসন পূর্ণ হলেও দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

টার্মিনালের গরম এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার কারণে শিশু ও নারীসহ সাধারণ মানুষ বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী সড়কে ভিড়ের চাপ বাড়ায় বেশ কয়েকটি স্থানে জটও দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলে যাত্রীরা মন্তব্য করছেন।

ভাগ্যজোটে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা প্রশাসন, পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও কর্তৃপক্ষসমূহকে কড়া মনিটরিং, ভাড়া নির্ধারণ ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন, নতুবা ভিড় বাড়লে এবং দিনের রোদের সঙ্গে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সায়েদাবাদে ঈদযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়, অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সোমবার থেকে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষের ঢেউ। সকাল থেকেই সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, টিকিট সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগে ছুটির আগের দিনগুলোতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

অগ্রিম টিকিট না পাবার কারণে অনেক যাত্রী কৌতূহল ও দুশ্চিন্তার মধ্যে টার্মিনালে অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে যারা আগে থেকে টিকিট পাবেননি, তাদেরকে বড় দূরপাল্লার বাসে সিট না পাওয়ার পর লোকাল বাসে দাঁড়িয়েই অথবা কখনো বাসের ইঞ্জিনের ওপর বসে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, কিছু পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি টিকিট সংকটকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি রুটেই অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলগামী দূরপাল্লার কিছু বাসে প্রতিজন যাত্রী থেকে ২০০–৩০০ টাকা অতিরিক্ত ধার্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বরিশালগামী এক যাত্রী জসিম বলেন, নিয়মিত ৫০০ টাকার টিকিট এখন ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবু টিকিট নিয়ে বাস না ছাড়ায় অনেককে দীর্ঘ সময় টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও খুলনা রুটেও ভাড়ার নৈরাজ্য দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের কথায়, ঢাকা–চট্টগ্রাম নন-এসি বাসের নিয়মিত ভাড়া ৭০০–৮০০ টাকা হলেও এখন ৯০০–১০০০ টাকায় নেওয়া হচ্ছে। আবার খুলনাগামী বাসে ৭০০ টাকার ভাড়া বেড়ে ১০০০ টাকা হয়েছে। পাশাপাশি ঘরমুখো ভিড়ের কারণে লোকাল বাসগুলোতেও যাত্রী ঠাসাঠাসি করতে দেখা যায়; অনেক সময় আসন পূর্ণ হলেও দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

টার্মিনালের গরম এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার কারণে শিশু ও নারীসহ সাধারণ মানুষ বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী সড়কে ভিড়ের চাপ বাড়ায় বেশ কয়েকটি স্থানে জটও দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলে যাত্রীরা মন্তব্য করছেন।

ভাগ্যজোটে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা প্রশাসন, পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও কর্তৃপক্ষসমূহকে কড়া মনিটরিং, ভাড়া নির্ধারণ ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন, নতুবা ভিড় বাড়লে এবং দিনের রোদের সঙ্গে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন।