১১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন কেবল প্রথম দিনেই সীমাবদ্ধ হয়নি; ধর্মীয় বিধান অনুসারে উৎসবের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানি চলছে। শুক্রবার (২৯ মে) ভোরে মিরপুর, বাংলামোটর, হাতিরপুল ও অন্যান্য এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে—অনেক পরিবার আজও ত্যাগের এই ইবাদতে অংশ নিচ্ছে।

সকাল থেকেই পাড়া-মহল্লার নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই, মাংস কাটার কাজ ও প্যাকেট করে বিতরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মানুষরা। প্রথম দিনের তুলনায় লগ্নি এবং কোরবানির সংখ্যা কম থাকলেও উৎসবের আমেজ বেশ টিকে আছে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে; এই নমনীয়তা থেকেই অনেকে দ্বিতীয় দিনেই কোরবানি করতে পছন্দ করেন। মঙ্গলবার বা বৃহস্পতিবারের বদলে আজ কোরবানি করতে দেখার পেছনে মূলত কয়েকটি কারণ আছে—কসাই সংকট ও প্রথম দিনে কসাইদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি, কিছু মানুষের প্রথম দিনে বড় পশু জবাই শেষ করে বাকি পশু আজ কোরবানি করা, আর কিছু পরিবারের মধ্যে দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেওয়ার একটি পারিবারিক রীতি রয়েছে।

মিরপুরের এক বাসিন্দা বললেন, ঈদের প্রথম দিনে কসাই পাওয়া কঠিন ছিল এবং যারা আসছিলেন তারা সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দাবি করছিলেন; ঝক্কি এড়াতে তাই তিনি আজ কোরবানি করেছেন। একই সঙ্গে অনেক সংগঠিত কোরবানি কার্যক্রমে কসাই ও মৌসুমি শ্রমিকরা সরঞ্জাম দিয়ে তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশে কাজ করতে পারছেন।

সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসন মাংস প্রক্রিয়াকরণ ও অবশিষ্টাংশ নিক্ষেপের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ জানিয়েছে। বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সকাল থেকেই মাঠে ছিলেন, যাতে কোরবানির পরে পরিবেশিক অস্বস্তি সৃষ্টি না হয়।

শহরই নয়, গ্রামজুড়েও আজ উৎসবমুখর পরিবেশে কোরবানি হওয়া চলছে। যারা কোরবানি দিচ্ছেন তারা আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে মাংস ভাগ করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। ধর্মীয় বিধানের এই নমনীয়তা সাধারণ মানুষকে ইবাদত পালনে সহজতা দেয়ার পাশাপাশি মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, ত্যাগের এই মাহাত্ম্য দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে; আগামীকাল শনিবারও কিছু স্থানে কোরবানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন কেবল প্রথম দিনেই সীমাবদ্ধ হয়নি; ধর্মীয় বিধান অনুসারে উৎসবের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানি চলছে। শুক্রবার (২৯ মে) ভোরে মিরপুর, বাংলামোটর, হাতিরপুল ও অন্যান্য এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে—অনেক পরিবার আজও ত্যাগের এই ইবাদতে অংশ নিচ্ছে।

সকাল থেকেই পাড়া-মহল্লার নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই, মাংস কাটার কাজ ও প্যাকেট করে বিতরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মানুষরা। প্রথম দিনের তুলনায় লগ্নি এবং কোরবানির সংখ্যা কম থাকলেও উৎসবের আমেজ বেশ টিকে আছে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে; এই নমনীয়তা থেকেই অনেকে দ্বিতীয় দিনেই কোরবানি করতে পছন্দ করেন। মঙ্গলবার বা বৃহস্পতিবারের বদলে আজ কোরবানি করতে দেখার পেছনে মূলত কয়েকটি কারণ আছে—কসাই সংকট ও প্রথম দিনে কসাইদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি, কিছু মানুষের প্রথম দিনে বড় পশু জবাই শেষ করে বাকি পশু আজ কোরবানি করা, আর কিছু পরিবারের মধ্যে দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেওয়ার একটি পারিবারিক রীতি রয়েছে।

মিরপুরের এক বাসিন্দা বললেন, ঈদের প্রথম দিনে কসাই পাওয়া কঠিন ছিল এবং যারা আসছিলেন তারা সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দাবি করছিলেন; ঝক্কি এড়াতে তাই তিনি আজ কোরবানি করেছেন। একই সঙ্গে অনেক সংগঠিত কোরবানি কার্যক্রমে কসাই ও মৌসুমি শ্রমিকরা সরঞ্জাম দিয়ে তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশে কাজ করতে পারছেন।

সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসন মাংস প্রক্রিয়াকরণ ও অবশিষ্টাংশ নিক্ষেপের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ জানিয়েছে। বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সকাল থেকেই মাঠে ছিলেন, যাতে কোরবানির পরে পরিবেশিক অস্বস্তি সৃষ্টি না হয়।

শহরই নয়, গ্রামজুড়েও আজ উৎসবমুখর পরিবেশে কোরবানি হওয়া চলছে। যারা কোরবানি দিচ্ছেন তারা আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে মাংস ভাগ করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। ধর্মীয় বিধানের এই নমনীয়তা সাধারণ মানুষকে ইবাদত পালনে সহজতা দেয়ার পাশাপাশি মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, ত্যাগের এই মাহাত্ম্য দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে; আগামীকাল শনিবারও কিছু স্থানে কোরবানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।