০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নিয়ে উদ্বেগ, মানবিক সমাধানের আহ্বান—আসক দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ব্যয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি সব নাগরিক পাবেন ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব বৃহত্তম বাজেট পেস—অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোগ্যপণ্যের ব্যয় কমানো লক্ষ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী: আদ্-দ্বীনের শোকজ জবাবে আমরা সন্তুষ্ট নই বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রথমবার ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত, ঢাকা-মুখী ট্রেন চলাচল বন্ধ কাঁটাতারের বেড়াজালে আটকা মানবতা একনেকে ৩ হাজার ৮৯১ কোটিতে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

কুনমিং এক্সপোতে থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ — রেকর্ড ১০১ প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুনমিংয়ে শুরু হয়েছে ‘‘দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো ও ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি ও রপ্তানি মেলা ২০২৬’’, যেখানে মর্যাদাপূর্ণ ‘থিম ক্যান্ট্রি’ (Theme Country) হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আজ থেকে ছয় দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়ে চলবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) কর্তৃক সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এবারের মেলায় রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করছেন।

থিম ক্যান্ট্রি হওয়ায় বাংলাদেশকে এ বছর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার প্রথম দিন বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে; দ্বিতীয় দিনটিকে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নরসহ বিভিন্ন দেশের নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি মেলায় অংশ নেবেন।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ প্রাণবন্ত হস্তশিল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ প্রদর্শনী বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, আমদানিকারক ও বাজারসম্মুখিন নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরির সুযোগ দেবে। বিশেষত বিজনেস টু বিজনেস (B2B) নেটওয়ার্কিং মাধ‌্যমে নতুন বাণিজ্যিক বাজার গঠন ও চীনের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেকর্ড অংশগ্রহণ ও বিস্তৃত প্রদর্শনী অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পকে বিদেশি বাজারে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নিয়ে উদ্বেগ, মানবিক সমাধানের আহ্বান—আসক

কুনমিং এক্সপোতে থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ — রেকর্ড ১০১ প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুনমিংয়ে শুরু হয়েছে ‘‘দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো ও ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি ও রপ্তানি মেলা ২০২৬’’, যেখানে মর্যাদাপূর্ণ ‘থিম ক্যান্ট্রি’ (Theme Country) হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আজ থেকে ছয় দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়ে চলবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) কর্তৃক সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এবারের মেলায় রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করছেন।

থিম ক্যান্ট্রি হওয়ায় বাংলাদেশকে এ বছর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার প্রথম দিন বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে; দ্বিতীয় দিনটিকে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নরসহ বিভিন্ন দেশের নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি মেলায় অংশ নেবেন।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ প্রাণবন্ত হস্তশিল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ প্রদর্শনী বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, আমদানিকারক ও বাজারসম্মুখিন নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরির সুযোগ দেবে। বিশেষত বিজনেস টু বিজনেস (B2B) নেটওয়ার্কিং মাধ‌্যমে নতুন বাণিজ্যিক বাজার গঠন ও চীনের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেকর্ড অংশগ্রহণ ও বিস্তৃত প্রদর্শনী অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পকে বিদেশি বাজারে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।