০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত জোনাব ডাকাত বাহিনীর তিন সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন আজিবার গাজী (৪৭), রবিউল গাজী (৪৪) ও ফারুক হোসেন (৩৬) — সকলেই সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বুধবার (১০ জুন) দুপুরে এই তথ্য জানান। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চল থেকে সক্রিয় সব বনদস্যু বাহিনী নির্মূল করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ‘‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’’ এবং ‘‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।

গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন কৈখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরবনের খ্যাতনামা জোনাব বাহিনীর ওই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে স্থায়ী বন্দোবস্তে নেওয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তারের কিছু ঘণ্টা পর, সেই রাত ১১ টায় শ্যামনগর থানার হরিণটানা খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে ১টি একনলা বন্দুক এবং ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মালামাল আটককৃতদের সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এই তিনজন জোনাব বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে সুন্দরবন এলাকা নিয়ে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে আসছিল; তারা সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করত। তাদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সাব্বির আলম সুজন বলেন, কোস্ট গার্ডের সাফল্য ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র বিভিন্ন সময় ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। তথাপি দস্যু দমন অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

এ বিষয়ে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ তদন্ত চলছে; উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত জোনাব ডাকাত বাহিনীর তিন সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন আজিবার গাজী (৪৭), রবিউল গাজী (৪৪) ও ফারুক হোসেন (৩৬) — সকলেই সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বুধবার (১০ জুন) দুপুরে এই তথ্য জানান। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চল থেকে সক্রিয় সব বনদস্যু বাহিনী নির্মূল করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ‘‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’’ এবং ‘‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।

গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন কৈখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরবনের খ্যাতনামা জোনাব বাহিনীর ওই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে স্থায়ী বন্দোবস্তে নেওয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তারের কিছু ঘণ্টা পর, সেই রাত ১১ টায় শ্যামনগর থানার হরিণটানা খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে ১টি একনলা বন্দুক এবং ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মালামাল আটককৃতদের সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এই তিনজন জোনাব বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে সুন্দরবন এলাকা নিয়ে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে আসছিল; তারা সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করত। তাদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সাব্বির আলম সুজন বলেন, কোস্ট গার্ডের সাফল্য ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র বিভিন্ন সময় ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। তথাপি দস্যু দমন অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

এ বিষয়ে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ তদন্ত চলছে; উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।