০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ক্ষুদ্র জাতি ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছালেন অর্থনীতির সংকট গভীর, স্থিতিশীল করতে লাগবে অন্তত দুই বছর: অর্থমন্ত্রী দালিয়ানে WEF প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাড়ে চার মাস পর হরমুজ পার হলো পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ঢাকা ওয়াসার ২০২৪-২৫ বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ আ.লীগকে ঘিরে ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার চার মাস পর হরমুজ পেরিয়ে এগোচ্ছে জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসি গঠন করল পাঁচ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯

ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচে ‘কালো জাদু’ নিয়ে বিতর্ক ও মিমছড়ি

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড ও ঘানার ম্যাচ ০-০ ড্র হওয়ার পর ফুটবল ভক্তদের মধ্যে অদ্ভুত এক আলোচনা শুরু হয়েছে—ঘানার ঐতিহ্যবাহী ‘কালো জাদু’ বা জুজু কার্যকর হয়েছে কি না তা নিয়েই ঠাট্টা ও বিতর্ক।

খাতায়-কলমে শক্তিশালী ইংল্যান্ড দল সত্ত্বেও গোল করতে ব্যর্থ দেখা যায়, এমনকি দলের প্রধান নেতা ও স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনও ফাঁকা জালে গোল করতে পারেননি। ম্যাচ চলাকালীন কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত হাস্যরস ও মিম ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই তা ঘানার জুজুর সঙ্গে যোগিয়ে দিয়েছেন।

বিতর্ক তীব্র হয়েছিল ব্রিটিশ মিডিয়া ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে, যেখানে ঘানার পরিচিত এক তান্ত্রিক—নানা কওকু বোনসাম (Nana Kwaku Bonsam)—ম্যাচ শুরুর আগে দাবি করেন তিনি হ্যারি কেইনের ওপর বিশেষ কোনো অভিশাপ দিয়েছেন, যাতে কেইন ওই ম্যাচে গোল করতে না পারেন। পরবর্তীতে ক্রীড়াঙ্গনে কেইন যে কয়েকটি সুযোগ মিস করলেন, সেগুলো ওই দাবিকে আরও ছড়িয়ে দিয়েছে।

ম্যাচে ইংল্যান্ডের একাধিক আক্রমণ ঘানার শক্ত রক্ষণভাগে আটকে যায়; একটি হেডার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, আর খেলার শেষ মুহূর্তের এক কাছাকাছি অবস্থার শটটি হ্যারি কেইন অত্যন্ত সহজভাবে জালের ওপর দিয়ে বাইরে মারেন। ম্যাচের শেষে ইন্টারনেটে কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়—ঘানার সমর্থকরা মাঠপাশে মন্ত্র পাঠ বা সাদা পাউডার ছিটিয়ে প্রার্থনা করছেন বলে দেখায়—যা বিষয়টিকে আরো নাটকীয় করে তোলে।

অবশ্য ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা এইসব আড়ম্বরকে বেশ উদাসীন ও রসিকভাবে নিয়েছেন। দলের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ম্যাচ পরবর্তী মুখ্যসাংবাদিকের প্রশ্নে বলেন, “আমরা শট নিয়েছি, হেডার আছে, সেট-পিস আছে—সবই দিয়েছি, কিন্তু আজ কিছুই জালে ঢুকল না। কে জানে, হয়তো ঘানার কালো জাদু কাজ করেছে!”—এভাবে তিনি দাবি-অভিযোগগুলোকে হালকা ছলেই সমালোচনার ভঙ্গিতে নেন।

এই ঘটনায় ফুটবল-ভক্ত সমাজে দুইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে: একদিকে যারা ক্রীড়াসূত্রে বিশ্লেষণ করে ম্যাচের tactical কারণ, ফর্ম ও ভাগ্যের দিকগুলো দেখছেন; অন্যদিকে যারা মজার ছলে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম বানিয়ে জুজু-কাণ্ডকে আরও সরস করেছেন। খেলাধুলাকে ঘিরে এমন অদ্ভুত ও মজাদার বিতর্ক নিয়েই ফুটবল বিশ্ব কখনও কখনও রঙিন হয়ে ওঠে—এটাই হয়তো এইচটিওর একটি অংশ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছালেন

ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচে ‘কালো জাদু’ নিয়ে বিতর্ক ও মিমছড়ি

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড ও ঘানার ম্যাচ ০-০ ড্র হওয়ার পর ফুটবল ভক্তদের মধ্যে অদ্ভুত এক আলোচনা শুরু হয়েছে—ঘানার ঐতিহ্যবাহী ‘কালো জাদু’ বা জুজু কার্যকর হয়েছে কি না তা নিয়েই ঠাট্টা ও বিতর্ক।

খাতায়-কলমে শক্তিশালী ইংল্যান্ড দল সত্ত্বেও গোল করতে ব্যর্থ দেখা যায়, এমনকি দলের প্রধান নেতা ও স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনও ফাঁকা জালে গোল করতে পারেননি। ম্যাচ চলাকালীন কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত হাস্যরস ও মিম ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই তা ঘানার জুজুর সঙ্গে যোগিয়ে দিয়েছেন।

বিতর্ক তীব্র হয়েছিল ব্রিটিশ মিডিয়া ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে, যেখানে ঘানার পরিচিত এক তান্ত্রিক—নানা কওকু বোনসাম (Nana Kwaku Bonsam)—ম্যাচ শুরুর আগে দাবি করেন তিনি হ্যারি কেইনের ওপর বিশেষ কোনো অভিশাপ দিয়েছেন, যাতে কেইন ওই ম্যাচে গোল করতে না পারেন। পরবর্তীতে ক্রীড়াঙ্গনে কেইন যে কয়েকটি সুযোগ মিস করলেন, সেগুলো ওই দাবিকে আরও ছড়িয়ে দিয়েছে।

ম্যাচে ইংল্যান্ডের একাধিক আক্রমণ ঘানার শক্ত রক্ষণভাগে আটকে যায়; একটি হেডার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, আর খেলার শেষ মুহূর্তের এক কাছাকাছি অবস্থার শটটি হ্যারি কেইন অত্যন্ত সহজভাবে জালের ওপর দিয়ে বাইরে মারেন। ম্যাচের শেষে ইন্টারনেটে কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়—ঘানার সমর্থকরা মাঠপাশে মন্ত্র পাঠ বা সাদা পাউডার ছিটিয়ে প্রার্থনা করছেন বলে দেখায়—যা বিষয়টিকে আরো নাটকীয় করে তোলে।

অবশ্য ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা এইসব আড়ম্বরকে বেশ উদাসীন ও রসিকভাবে নিয়েছেন। দলের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ম্যাচ পরবর্তী মুখ্যসাংবাদিকের প্রশ্নে বলেন, “আমরা শট নিয়েছি, হেডার আছে, সেট-পিস আছে—সবই দিয়েছি, কিন্তু আজ কিছুই জালে ঢুকল না। কে জানে, হয়তো ঘানার কালো জাদু কাজ করেছে!”—এভাবে তিনি দাবি-অভিযোগগুলোকে হালকা ছলেই সমালোচনার ভঙ্গিতে নেন।

এই ঘটনায় ফুটবল-ভক্ত সমাজে দুইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে: একদিকে যারা ক্রীড়াসূত্রে বিশ্লেষণ করে ম্যাচের tactical কারণ, ফর্ম ও ভাগ্যের দিকগুলো দেখছেন; অন্যদিকে যারা মজার ছলে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম বানিয়ে জুজু-কাণ্ডকে আরও সরস করেছেন। খেলাধুলাকে ঘিরে এমন অদ্ভুত ও মজাদার বিতর্ক নিয়েই ফুটবল বিশ্ব কখনও কখনও রঙিন হয়ে ওঠে—এটাই হয়তো এইচটিওর একটি অংশ।