০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তিন বাহিনীর বঞ্চিত ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না: চিফ হুইপ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়: চিফ হুইপ প্রবাসী আয়ে রিজার্ভে সুর ফেরেছে: রিজার্ভ পুনরায় ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ওপরে প্রবাসী আয়ের জোয়ারে রিজার্ভে ফের প্রাণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীদের নাক গলানো গ্রহণযোগ্য নয়: চিফ হুইপ আগামী ১০ জুলাই ঢামেক পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুদকের মহাপরিচালক পদে রদবদল: মো. মনিরুল ইসলাম নিয়োগ দুদকের শীর্ষপদে রদবদল: মনিরুল ইসলাম নতুন মহাপরিচালক আগামী ১০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী ঢামেক পরিদর্শনে যাচ্ছেন

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়: ইরান বাদ পড়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের মামলা

ইরানের বিতর্কিত বিদায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে ফিফা ও তার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে 대상으로 ১০০ কোটি ডলারের (১ বিলিয়ন) ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দিয়েছেন ইরানি-আমেরিকান রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং হার্ভার্ডের সাবেক প্রভাষক লতফুল্লাহ কাভেহ আফ্রাসিয়াবি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থার অপব্যবহার ইরানকে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে ছিটকে দেওয়ার কারণ হয়েছে। বিশেষ করে গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত ইরান বনাম মিশর ম্যাচটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হলেও শেষ মুহূর্তে ইরানের একটি গোল ভিএআর দেখিয়ে অফসাইড হিসেবে বাতিল করা হয়েছিল। আফ্রাসিয়াবি দাবি করেন, ওই গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ ভুল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মামলায় আরো বলা হয়েছে, সিদ্ধান্তটি বিশ্বের প্রায় ৯১ মিলিয়ন ইরানি সমর্থকের মধ্যে ব্যাপক মানসিক কষ্ট ও ক্ষতি ডেকেছে। আদালতে দাখিল করা নথিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কীভাবে সমর্থক ও খেলোয়াড়দের ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে তা বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া মামলায় খেলার মাঠের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন ইরানি দলের ওপর বিভিন্ন নেতিবাচক ব্যবস্থার কথাও উঠেছে—রাতের থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা, তৎকালীন প্রশিক্ষণ শিবিরের আকস্মিক স্থানান্তর এবং দলের ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার ভিসা প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি। আফ্রাসিয়াবি এসবকে ফিফার ‘দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যের’ নমুনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে এসব বাধাই দলের মনোবল ও পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আফ্রাসিয়াবি বলেন, মামলায় যদি সফল হন তবে প্রাপ্ত ক্ষতিপূরণের একটি বড় অংশ ইরানের যুবক্রীড়া ও ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। বিশ্ব ফুটবলে ফিফা-র বিরুদ্ধে এমন বড় অংকের ক্ষতিপূরণের মামলা তুলনামূলকভাবে বিরল এবং এটি ফুটবল মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

এ ব্যাপারে ফিফা বা জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর তরফে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বিচারিক পর্যায়ে কোন পথে এগোবে তা ভবিষ্যতে আদালতে বিবেচিত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না: চিফ হুইপ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়: ইরান বাদ পড়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের মামলা

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিতর্কিত বিদায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে ফিফা ও তার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে 대상으로 ১০০ কোটি ডলারের (১ বিলিয়ন) ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দিয়েছেন ইরানি-আমেরিকান রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং হার্ভার্ডের সাবেক প্রভাষক লতফুল্লাহ কাভেহ আফ্রাসিয়াবি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থার অপব্যবহার ইরানকে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে ছিটকে দেওয়ার কারণ হয়েছে। বিশেষ করে গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত ইরান বনাম মিশর ম্যাচটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হলেও শেষ মুহূর্তে ইরানের একটি গোল ভিএআর দেখিয়ে অফসাইড হিসেবে বাতিল করা হয়েছিল। আফ্রাসিয়াবি দাবি করেন, ওই গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ ভুল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মামলায় আরো বলা হয়েছে, সিদ্ধান্তটি বিশ্বের প্রায় ৯১ মিলিয়ন ইরানি সমর্থকের মধ্যে ব্যাপক মানসিক কষ্ট ও ক্ষতি ডেকেছে। আদালতে দাখিল করা নথিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কীভাবে সমর্থক ও খেলোয়াড়দের ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে তা বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া মামলায় খেলার মাঠের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন ইরানি দলের ওপর বিভিন্ন নেতিবাচক ব্যবস্থার কথাও উঠেছে—রাতের থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা, তৎকালীন প্রশিক্ষণ শিবিরের আকস্মিক স্থানান্তর এবং দলের ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার ভিসা প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি। আফ্রাসিয়াবি এসবকে ফিফার ‘দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যের’ নমুনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে এসব বাধাই দলের মনোবল ও পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আফ্রাসিয়াবি বলেন, মামলায় যদি সফল হন তবে প্রাপ্ত ক্ষতিপূরণের একটি বড় অংশ ইরানের যুবক্রীড়া ও ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। বিশ্ব ফুটবলে ফিফা-র বিরুদ্ধে এমন বড় অংকের ক্ষতিপূরণের মামলা তুলনামূলকভাবে বিরল এবং এটি ফুটবল মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

এ ব্যাপারে ফিফা বা জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর তরফে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বিচারিক পর্যায়ে কোন পথে এগোবে তা ভবিষ্যতে আদালতে বিবেচিত হবে।