০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

দেশে বছরে উৎপাদিত হয় ২ হাজার ৫৭ কোটি ডিম

দেশে প্রতি বছর ডিমের চাহিদা যেমন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উত্পাদনও। বাংলাদেশে মোট যে পরিমাণ ডিম উত্পাদিত হয়, তার মাত্র ১০ থেকে ১২ শতাংশ উত্পাদন করে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচিত খামারগুলো। দেশের ৮৮ থেকে ৯০ শতাংশ ডিম আসে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামার থেকে। বিষয়টি বিবেচনায় এনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের ঋণসুবিধার পাশাপাশি মুরগি পালনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার তাগিদ পোলট্রি বিশেষজ্ঞদের।

ডিম উত্পাদন বাড়ায় দেশে মানুষের ডিম খাওয়ার পরিমাণও বেড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্যমতে, সুস্থ থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষের বছরে ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু ডিম খাওয়ার পরিমাণ ছিল ১২১টির বেশি।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে এখনো ডিম খাওয়ার পরিমাণ আমাদের চেয়ে অনেক কম। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর সানডে ক্রনিকলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারতে মাথাপিছু ডিম খেয়ে থাকে ৩০টি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ এই সংখ্যা ১৮০টিতে উন্নীত করার পরামর্শ দিয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর চেয়েও অনেকটা এগিয়ে ২০৩১ সাল নাগাদ ডিমের মাথাপিছু কনজাম্পশন ১৬৫টি এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ২০৮টিতে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

সরকারি এই পরিসংখ্যানে ডিম বলতে পোলট্রি ডিম, দেশি মুরগির ডিম, হাঁসের ডিম, কোয়েল ও কবুতরের ডিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) দেওয়া তথ্যমতে ডায়মন্ড এগ ১৪ থেকে ১৫ লাখ, কাজী ফার্মস ১২ থেকে ১৪ লাখ, প্যারাগন পোলট্রি সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ, নর্থ এগ সাড়ে ৪ থেকে ৫ লাখ ডিম দৈনিক সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা দিনে লাখের বেশি ডিম সরবরাহ করে। প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব জুড়ে উদ্যাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডিম দিবস’।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

দেশে বছরে উৎপাদিত হয় ২ হাজার ৫৭ কোটি ডিম

প্রকাশিতঃ ১১:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

দেশে প্রতি বছর ডিমের চাহিদা যেমন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উত্পাদনও। বাংলাদেশে মোট যে পরিমাণ ডিম উত্পাদিত হয়, তার মাত্র ১০ থেকে ১২ শতাংশ উত্পাদন করে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচিত খামারগুলো। দেশের ৮৮ থেকে ৯০ শতাংশ ডিম আসে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামার থেকে। বিষয়টি বিবেচনায় এনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের ঋণসুবিধার পাশাপাশি মুরগি পালনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার তাগিদ পোলট্রি বিশেষজ্ঞদের।

ডিম উত্পাদন বাড়ায় দেশে মানুষের ডিম খাওয়ার পরিমাণও বেড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্যমতে, সুস্থ থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষের বছরে ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু ডিম খাওয়ার পরিমাণ ছিল ১২১টির বেশি।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে এখনো ডিম খাওয়ার পরিমাণ আমাদের চেয়ে অনেক কম। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর সানডে ক্রনিকলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারতে মাথাপিছু ডিম খেয়ে থাকে ৩০টি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ এই সংখ্যা ১৮০টিতে উন্নীত করার পরামর্শ দিয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর চেয়েও অনেকটা এগিয়ে ২০৩১ সাল নাগাদ ডিমের মাথাপিছু কনজাম্পশন ১৬৫টি এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ২০৮টিতে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

সরকারি এই পরিসংখ্যানে ডিম বলতে পোলট্রি ডিম, দেশি মুরগির ডিম, হাঁসের ডিম, কোয়েল ও কবুতরের ডিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) দেওয়া তথ্যমতে ডায়মন্ড এগ ১৪ থেকে ১৫ লাখ, কাজী ফার্মস ১২ থেকে ১৪ লাখ, প্যারাগন পোলট্রি সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ, নর্থ এগ সাড়ে ৪ থেকে ৫ লাখ ডিম দৈনিক সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা দিনে লাখের বেশি ডিম সরবরাহ করে। প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব জুড়ে উদ্যাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডিম দিবস’।