১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

খুলনাকে হারিয়ে ঢাকার বিপিএল যাত্রা শুরু

বিপিএলের নবম আসরের নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের মুখোমুখি হয়ে বেশ সহজ জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা ডমিনেটরস। খুলনার দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শুভসূচনা করেছে নাসির হোসেনের দল। 

শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঘন কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট পরে মাঠে নামে দুই দল। টসে জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক নাসির হোসেন। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন ঢাকার বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১১৩ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

১১৪ রামনের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চার উইকেট হারিয়ে পাঁচ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। মাত্র ৪ রানেই আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন ঢাকার ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। সৌম্য সরকার করেন আমত্র ১৬ রান, দিলশান মুনাবিরাও ফেরেন ২২ রান করে।

তবে এরপরই অধিনায়ক নাসির হোসেন আর উসমান গনি মিলে দেখশুনে খেলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। শেষমেশ উসমান গনি ১৪ রান করে আউট হলে ৩৩ বলে ৩৪ রানের জুটি ভাঙে।

ক্রিজের অপরপ্রান্তে দায়িত্ব নিয়েই ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাসির হোসেন। ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন ঢাকা ডমিনেটরস অধিনায়ক।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে খুলনা। পাওয়ার প্লেতে ২৮ রান তুলতেই খুলনা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার তামিম ইকবাল করেন মাত্র ৮ রান। আরেক ওপেনার শারজিল খানও ফেরেন ৭ রান করে। তিনে নেমে মুনিম শাহরিয়ার করেন মাত্র ৪ রান।

এরপর আজম খান আর ইয়াসির আলী মিলে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস মেরামত করার। তবে উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তারা। রাব্বী আর সাইফুদ্দিন তো খেলেছেন আরও ধীরগতিতে।

শেষদিকে সাব্বির রহমানের ১১ বলে ১১ আর অয়াহাব রিয়াজের ৩ বলে ১০ রানের সুবাদে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় খুলনা। ঢাকার হয়ে পেসার আল আমিন হোসেন ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি আর নাসির হোসেন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

খুলনাকে হারিয়ে ঢাকার বিপিএল যাত্রা শুরু

প্রকাশিতঃ ১২:৪০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

বিপিএলের নবম আসরের নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের মুখোমুখি হয়ে বেশ সহজ জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা ডমিনেটরস। খুলনার দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শুভসূচনা করেছে নাসির হোসেনের দল। 

শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঘন কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট পরে মাঠে নামে দুই দল। টসে জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক নাসির হোসেন। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন ঢাকার বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১১৩ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

১১৪ রামনের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চার উইকেট হারিয়ে পাঁচ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। মাত্র ৪ রানেই আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন ঢাকার ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। সৌম্য সরকার করেন আমত্র ১৬ রান, দিলশান মুনাবিরাও ফেরেন ২২ রান করে।

তবে এরপরই অধিনায়ক নাসির হোসেন আর উসমান গনি মিলে দেখশুনে খেলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। শেষমেশ উসমান গনি ১৪ রান করে আউট হলে ৩৩ বলে ৩৪ রানের জুটি ভাঙে।

ক্রিজের অপরপ্রান্তে দায়িত্ব নিয়েই ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাসির হোসেন। ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন ঢাকা ডমিনেটরস অধিনায়ক।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে খুলনা। পাওয়ার প্লেতে ২৮ রান তুলতেই খুলনা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার তামিম ইকবাল করেন মাত্র ৮ রান। আরেক ওপেনার শারজিল খানও ফেরেন ৭ রান করে। তিনে নেমে মুনিম শাহরিয়ার করেন মাত্র ৪ রান।

এরপর আজম খান আর ইয়াসির আলী মিলে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস মেরামত করার। তবে উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তারা। রাব্বী আর সাইফুদ্দিন তো খেলেছেন আরও ধীরগতিতে।

শেষদিকে সাব্বির রহমানের ১১ বলে ১১ আর অয়াহাব রিয়াজের ৩ বলে ১০ রানের সুবাদে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় খুলনা। ঢাকার হয়ে পেসার আল আমিন হোসেন ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি আর নাসির হোসেন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।