১১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

খুলনাকে হারিয়ে ঢাকার বিপিএল যাত্রা শুরু

বিপিএলের নবম আসরের নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের মুখোমুখি হয়ে বেশ সহজ জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা ডমিনেটরস। খুলনার দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শুভসূচনা করেছে নাসির হোসেনের দল। 

শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঘন কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট পরে মাঠে নামে দুই দল। টসে জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক নাসির হোসেন। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন ঢাকার বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১১৩ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

১১৪ রামনের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চার উইকেট হারিয়ে পাঁচ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। মাত্র ৪ রানেই আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন ঢাকার ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। সৌম্য সরকার করেন আমত্র ১৬ রান, দিলশান মুনাবিরাও ফেরেন ২২ রান করে।

তবে এরপরই অধিনায়ক নাসির হোসেন আর উসমান গনি মিলে দেখশুনে খেলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। শেষমেশ উসমান গনি ১৪ রান করে আউট হলে ৩৩ বলে ৩৪ রানের জুটি ভাঙে।

ক্রিজের অপরপ্রান্তে দায়িত্ব নিয়েই ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাসির হোসেন। ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন ঢাকা ডমিনেটরস অধিনায়ক।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে খুলনা। পাওয়ার প্লেতে ২৮ রান তুলতেই খুলনা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার তামিম ইকবাল করেন মাত্র ৮ রান। আরেক ওপেনার শারজিল খানও ফেরেন ৭ রান করে। তিনে নেমে মুনিম শাহরিয়ার করেন মাত্র ৪ রান।

এরপর আজম খান আর ইয়াসির আলী মিলে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস মেরামত করার। তবে উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তারা। রাব্বী আর সাইফুদ্দিন তো খেলেছেন আরও ধীরগতিতে।

শেষদিকে সাব্বির রহমানের ১১ বলে ১১ আর অয়াহাব রিয়াজের ৩ বলে ১০ রানের সুবাদে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় খুলনা। ঢাকার হয়ে পেসার আল আমিন হোসেন ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি আর নাসির হোসেন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

খুলনাকে হারিয়ে ঢাকার বিপিএল যাত্রা শুরু

প্রকাশিতঃ ১২:৪০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

বিপিএলের নবম আসরের নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের মুখোমুখি হয়ে বেশ সহজ জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা ডমিনেটরস। খুলনার দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেটে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শুভসূচনা করেছে নাসির হোসেনের দল। 

শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঘন কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট পরে মাঠে নামে দুই দল। টসে জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক নাসির হোসেন। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান বেশ ভালোভাবেই দিয়েছেন ঢাকার বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১১৩ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

১১৪ রামনের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চার উইকেট হারিয়ে পাঁচ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। মাত্র ৪ রানেই আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন ঢাকার ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। সৌম্য সরকার করেন আমত্র ১৬ রান, দিলশান মুনাবিরাও ফেরেন ২২ রান করে।

তবে এরপরই অধিনায়ক নাসির হোসেন আর উসমান গনি মিলে দেখশুনে খেলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। শেষমেশ উসমান গনি ১৪ রান করে আউট হলে ৩৩ বলে ৩৪ রানের জুটি ভাঙে।

ক্রিজের অপরপ্রান্তে দায়িত্ব নিয়েই ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাসির হোসেন। ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন ঢাকা ডমিনেটরস অধিনায়ক।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে খুলনা। পাওয়ার প্লেতে ২৮ রান তুলতেই খুলনা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। ওপেনার তামিম ইকবাল করেন মাত্র ৮ রান। আরেক ওপেনার শারজিল খানও ফেরেন ৭ রান করে। তিনে নেমে মুনিম শাহরিয়ার করেন মাত্র ৪ রান।

এরপর আজম খান আর ইয়াসির আলী মিলে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস মেরামত করার। তবে উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তারা। রাব্বী আর সাইফুদ্দিন তো খেলেছেন আরও ধীরগতিতে।

শেষদিকে সাব্বির রহমানের ১১ বলে ১১ আর অয়াহাব রিয়াজের ৩ বলে ১০ রানের সুবাদে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় খুলনা। ঢাকার হয়ে পেসার আল আমিন হোসেন ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি আর নাসির হোসেন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।