০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইইউ ৪ মিলিয়ন ইউরো আর্থিক সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশের নির্বাচন উন্নত করতে

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও মানসম্পন্ন নির্বাচনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন process প্রস্তুত করতে ইইউ ৪ মিলিয়ন ইউরোর একটি সহায়তা প্যাকেজ প্রদান করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার। তিনি বলেছিলেন, এই অর্থ সাহায্য বাংলাদেশের জন্য নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে ইইউ প্রতিনিধি দলের এক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। মাইকেল মিলার আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সাথে একযোগে কাজ করছে যেন একটি গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়। তিনি জানান, তারা ২০২৬ সালের মধ্যে একটি সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়েও ভবিষ্যত পরিকল্পনা করছে।

প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বাস্তবসম্মত ও অবিলম্বে নেওয়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভُত করা। তিনি জানান, ইইউ এই ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা এবং সহযোগিতা কাজে লাগাচ্ছে। তারা চাচ্ছে প্রতিটি নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হোক, অবাধ ও সুষ্ঠু থাকুক।

মিলার আরও বলেন, তারা শুধু নিজের দল বা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে নয়, বরং ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কাজ করছেন। যাঁরা নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে নিবদ্ধ থাকবেন এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ ভোটাভুটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে নির্বাচনী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে—যাতে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বিরোধ নিষ্পত্তি ও অন্যান্য জরুরি ক্ষেত্রগুলো শক্তিশালী হয়।

মাইকেল মিলার বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সম্ভাব্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তারা ভবিষ্যতে অস্থায়ী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সাথে এসব বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

গোচর া যে, আগামী মাসে একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে আসবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে, যাতে দেখা যায় এখানে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণের উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এখন একটি গভীর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ও এখানে অনেক বিষয় সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি শেষে বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন থেকে গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রাখলেও সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতার দিক থেকে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। তবে, তিনি নিশ্চিত করেন, এই বিষয়গুলো সমাধানের জন্য পরিবেশ তৈরির ব্যাপারে তারা কাজ করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমরা কখনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি, দেবো না: মির্জা ফখরুল

ইইউ ৪ মিলিয়ন ইউরো আর্থিক সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশের নির্বাচন উন্নত করতে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও মানসম্পন্ন নির্বাচনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন process প্রস্তুত করতে ইইউ ৪ মিলিয়ন ইউরোর একটি সহায়তা প্যাকেজ প্রদান করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার। তিনি বলেছিলেন, এই অর্থ সাহায্য বাংলাদেশের জন্য নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে ইইউ প্রতিনিধি দলের এক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। মাইকেল মিলার আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সাথে একযোগে কাজ করছে যেন একটি গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়। তিনি জানান, তারা ২০২৬ সালের মধ্যে একটি সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়েও ভবিষ্যত পরিকল্পনা করছে।

প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বাস্তবসম্মত ও অবিলম্বে নেওয়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভُত করা। তিনি জানান, ইইউ এই ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা এবং সহযোগিতা কাজে লাগাচ্ছে। তারা চাচ্ছে প্রতিটি নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হোক, অবাধ ও সুষ্ঠু থাকুক।

মিলার আরও বলেন, তারা শুধু নিজের দল বা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে নয়, বরং ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কাজ করছেন। যাঁরা নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে নিবদ্ধ থাকবেন এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ ভোটাভুটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে নির্বাচনী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে—যাতে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বিরোধ নিষ্পত্তি ও অন্যান্য জরুরি ক্ষেত্রগুলো শক্তিশালী হয়।

মাইকেল মিলার বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সম্ভাব্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তারা ভবিষ্যতে অস্থায়ী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সাথে এসব বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

গোচর া যে, আগামী মাসে একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে আসবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে, যাতে দেখা যায় এখানে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণের উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এখন একটি গভীর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ও এখানে অনেক বিষয় সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি শেষে বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন থেকে গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রাখলেও সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতার দিক থেকে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। তবে, তিনি নিশ্চিত করেন, এই বিষয়গুলো সমাধানের জন্য পরিবেশ তৈরির ব্যাপারে তারা কাজ করছে।