০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

প্রকাশিতঃ ০৬:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।