১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

প্রকাশিতঃ ০৬:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।