০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

কিশোরগঞ্জে বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শরীফুল আলম ও মাজহারুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত

প্রকাশিতঃ ০৬:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নব্বইয়ের দশকের পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ নয় বছর পর, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো. শরীফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, দুজনই পূর্বের কমিটির প্রথমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

সকাল থেকে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সূচনা হয়, যেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোটের গণনা শেষে, সভাপতি পদে মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ১৫২২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল হোসাইন পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। বাতিল হয় ১২০টি ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৫৯ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল পান ৬১১ ভোট। এছাড়া, শফিকুল আলম রাজন পেয়েছেন ৩০ ভোট ও সাজ্জাদুল হক ৭ ভোট, বাতিল হয় ৩৩ ভোট।

এবারের নির্বাচনে জেলায় ১৩টি উপজেলাও ৮টি পৌরসভার মোট ২০৯০ জন কাউন্সিলর ভোট দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে শেষবারের মতো ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মো. শরীফুল আলমকে সভাপতি ও মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তবে বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যায়। পরে, তিন সপ্তাহ পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের নাম ঘোষণা করেন।