০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

জুলাই-সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৫.৯ শতাংশ বৃদ্ধি

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৫৪৩ মিলিয়ন ডলার, সেখানে চলতি বছরের একই সময় এটি পৌঁছেছে ৭ হাজার ৫৮৬ মিলিয়ন ডলারে, যা প্রায় ১৫.৯ শতাংশ বেশি। এই বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা দেশে রিকোয়েস্ট করেছেন মোট ২ হাজার ৬৮৫ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। এ সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মধ্যে অন্যতম অংশ এসেছে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ৪৬ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, কৃষি ব্যাংক ২৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার, এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৯৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। এছাড়া, বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

প্রবাসীরা এই অর্থ পাঠাচ্ছেন মূলত ঈদ, অনিবার্য ব্যবসায়িক সুবিধা এবং সাধারণ জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয়তার জন্য। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪৭ কোটি ডলার, আর আগস্টে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২৪২ কোটি ডলারে পৌঁছায়।

বিশেষ করে, মার্চ মাসে রেকর্ড দিয়ে সর্বোচ্চ ৩শ’২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা পুরো অর্থবছরের রেকর্ড হিসেবে কাজ করে। ফলে, এই অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি।

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেখলে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমে গিয়ে ২৬.৬২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

জুলাই-সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৫.৯ শতাংশ বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৫৪৩ মিলিয়ন ডলার, সেখানে চলতি বছরের একই সময় এটি পৌঁছেছে ৭ হাজার ৫৮৬ মিলিয়ন ডলারে, যা প্রায় ১৫.৯ শতাংশ বেশি। এই বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা দেশে রিকোয়েস্ট করেছেন মোট ২ হাজার ৬৮৫ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। এ সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মধ্যে অন্যতম অংশ এসেছে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ৪৬ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, কৃষি ব্যাংক ২৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার, এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৯৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। এছাড়া, বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

প্রবাসীরা এই অর্থ পাঠাচ্ছেন মূলত ঈদ, অনিবার্য ব্যবসায়িক সুবিধা এবং সাধারণ জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয়তার জন্য। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪৭ কোটি ডলার, আর আগস্টে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২৪২ কোটি ডলারে পৌঁছায়।

বিশেষ করে, মার্চ মাসে রেকর্ড দিয়ে সর্বোচ্চ ৩শ’২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা পুরো অর্থবছরের রেকর্ড হিসেবে কাজ করে। ফলে, এই অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি।

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেখলে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমে গিয়ে ২৬.৬২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।