১১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর অভিযানে কান্দাহারে নিহত ৪০

অপরিকল্পিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র কিছু ঘন্টা পরই আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আবার আঘাত হেনেছে। এতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনের দিকে, একইসঙ্গে আরও অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন। স্পিন বোলদাক শহরটি আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই হামলায় অধিকাংশ বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশু Beatন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, নিহত ও আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সাধারণ মানুষ।

পূর্বে, ১১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের পর দু’দেশ পাল্টাপাল্টি হামলা-মূলক উত্তেজনা কমাতে ১৫ অক্টোবর ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতিতে যায়। তবে, সেই বিরতির সময়সীমা শেষ হয় গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে। বিরতি শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তানি বিমান বাহিনী আবার হামলা চালিয়েছে এবার কান্দাহার_FILLে।

এই হামলায় জীবন হারানো এবং আহত ব্যক্তিদের একজন বলেছেন, “আমি কখনোই এমন বৈষম্য দেখিনি। একটি দেশ, যারা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করে, তারা নারীদের, শিশুদের এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই নৃশংস হামলা চালাচ্ছে।”

শুধু বিমান বাহিনীর আক্রমণ নয়, আরও সামরিক অপারেশন চালিয়ে স্পিন বোলদাকের বিভিন্ন এলাকায় আর্টিলারি গোলা নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তানের স্থলবাহিনী। এর ফলে বেশ কিছু বাড়িঘর ও দোকান ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে আবারও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলখাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মূল সংগঠন তেহরিক-ই তালেবান (টিটিপি)। আফগানিস্তানে তালেবান সরকার গঠনের পর থেকেই এই গোষ্ঠীটি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগান তালেবান সরকার তাদের সমর্থন ও আশ্রয় দেয়, যদিও কাবুল এ বিষয়ের menyangম অস্বীকার করে আসছে।

গত ৯ অক্টোবর, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি হামলায় টিটিপির শীর্ষ নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদকে হত্যা করে পাকিস্তান। এই হত্যাকাণ্ডের দু’দিন পর, ১১ অক্টোবরে, পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যাপক আক্রমণ চালায়। এর জের ধরে, ১৫ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরুদ্ধ যুদ্ধ শুরু হয়, যা শেষ হয় আজ শুক্রবার। এদিকে, এই সংঘর্ষের মাঝে পাকিস্তানি সেনারা মির আলী সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে দুপুর একটার দিকে।

সব তথ্য সংগ্রহ 및 প্রতিবেদন : তোলো নিউজ

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর অভিযানে কান্দাহারে নিহত ৪০

প্রকাশিতঃ ১০:৫৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

অপরিকল্পিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র কিছু ঘন্টা পরই আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আবার আঘাত হেনেছে। এতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনের দিকে, একইসঙ্গে আরও অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন। স্পিন বোলদাক শহরটি আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই হামলায় অধিকাংশ বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশু Beatন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, নিহত ও আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সাধারণ মানুষ।

পূর্বে, ১১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের পর দু’দেশ পাল্টাপাল্টি হামলা-মূলক উত্তেজনা কমাতে ১৫ অক্টোবর ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতিতে যায়। তবে, সেই বিরতির সময়সীমা শেষ হয় গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে। বিরতি শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তানি বিমান বাহিনী আবার হামলা চালিয়েছে এবার কান্দাহার_FILLে।

এই হামলায় জীবন হারানো এবং আহত ব্যক্তিদের একজন বলেছেন, “আমি কখনোই এমন বৈষম্য দেখিনি। একটি দেশ, যারা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করে, তারা নারীদের, শিশুদের এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই নৃশংস হামলা চালাচ্ছে।”

শুধু বিমান বাহিনীর আক্রমণ নয়, আরও সামরিক অপারেশন চালিয়ে স্পিন বোলদাকের বিভিন্ন এলাকায় আর্টিলারি গোলা নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তানের স্থলবাহিনী। এর ফলে বেশ কিছু বাড়িঘর ও দোকান ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে আবারও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলখাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মূল সংগঠন তেহরিক-ই তালেবান (টিটিপি)। আফগানিস্তানে তালেবান সরকার গঠনের পর থেকেই এই গোষ্ঠীটি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগান তালেবান সরকার তাদের সমর্থন ও আশ্রয় দেয়, যদিও কাবুল এ বিষয়ের menyangম অস্বীকার করে আসছে।

গত ৯ অক্টোবর, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি হামলায় টিটিপির শীর্ষ নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদকে হত্যা করে পাকিস্তান। এই হত্যাকাণ্ডের দু’দিন পর, ১১ অক্টোবরে, পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যাপক আক্রমণ চালায়। এর জের ধরে, ১৫ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরুদ্ধ যুদ্ধ শুরু হয়, যা শেষ হয় আজ শুক্রবার। এদিকে, এই সংঘর্ষের মাঝে পাকিস্তানি সেনারা মির আলী সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে দুপুর একটার দিকে।

সব তথ্য সংগ্রহ 및 প্রতিবেদন : তোলো নিউজ