১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ভারতকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের

অमेरিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি ভারত তা না করে, তবে বিরাট পরিমাণ শুল্ক ও কর আরোপ করতে বাধ্য হবে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মোდির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রুশ তেল ক্রয় হতে আর থাকবে না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এই বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্তে অবগত নয়। ট্রাম্পের জবাবে বলা হয়, যদি ভারত তা না মানে, তবে তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়া হবে, যা তারা নিশ্চয়ই এড়াতে চাইবে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশটির জন্য বড় একটা বাধার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের অভিযোগ, ভারত রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে অর্থায়ন করছে। এর ফলে, ভারতের দেওয়া ৫০ শতাংশ শুল্কের অর্ধেকেরও বেশি এসব তেল কেনার জন্য ঝুলছে। ২০২২ সালে রাশিয়া পশ্চিমা শক্তিগুলোর চাপের মধ্যে ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর পর থেকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া বেশি ছাড় দিয়ে তেল বিক্রি শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতের একটি বড় ক্রেতা হিসেবে দেখা গেছে, যেটা এখন রাশিয়ার তেল আমদানির সাথে সম্পর্কিত। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, মোদিও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা রুশ তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে কোনো টেলিফোন বা আলোচনা হয়নি। ভারতের অধিবাসীরা মূলত তাদের ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের প্রধান উদ্বেগ। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান, ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানির অর্ধেক কমিয়েছে। তবে ভারতের সূত্র বলছে, তা-ও এখনো তেল কেনা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন তেল পরিশোধনাগার নভেম্বরের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, আর ডিসেম্বরেও কিছু তেল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে, ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যে তেল আমদানি কিছুটা কমতে পারে। তথ্যপ্রতিষ্ঠান কেপলার জানায়, এই মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানিতে ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি হতে পারে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলাকারী আক্রমণে রুশ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, রাশিয়া আরও বেশি তেল রপ্তানি করছে। এর ফলে, এ মাসে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল তেল ভারতীয় বাজারে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ভারতকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের

প্রকাশিতঃ ১১:৩৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

অमेरিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি ভারত তা না করে, তবে বিরাট পরিমাণ শুল্ক ও কর আরোপ করতে বাধ্য হবে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মোდির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রুশ তেল ক্রয় হতে আর থাকবে না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এই বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্তে অবগত নয়। ট্রাম্পের জবাবে বলা হয়, যদি ভারত তা না মানে, তবে তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়া হবে, যা তারা নিশ্চয়ই এড়াতে চাইবে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশটির জন্য বড় একটা বাধার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের অভিযোগ, ভারত রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে অর্থায়ন করছে। এর ফলে, ভারতের দেওয়া ৫০ শতাংশ শুল্কের অর্ধেকেরও বেশি এসব তেল কেনার জন্য ঝুলছে। ২০২২ সালে রাশিয়া পশ্চিমা শক্তিগুলোর চাপের মধ্যে ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর পর থেকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া বেশি ছাড় দিয়ে তেল বিক্রি শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতের একটি বড় ক্রেতা হিসেবে দেখা গেছে, যেটা এখন রাশিয়ার তেল আমদানির সাথে সম্পর্কিত। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, মোদিও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা রুশ তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে কোনো টেলিফোন বা আলোচনা হয়নি। ভারতের অধিবাসীরা মূলত তাদের ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের প্রধান উদ্বেগ। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান, ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানির অর্ধেক কমিয়েছে। তবে ভারতের সূত্র বলছে, তা-ও এখনো তেল কেনা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন তেল পরিশোধনাগার নভেম্বরের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, আর ডিসেম্বরেও কিছু তেল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে, ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যে তেল আমদানি কিছুটা কমতে পারে। তথ্যপ্রতিষ্ঠান কেপলার জানায়, এই মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানিতে ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি হতে পারে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলাকারী আক্রমণে রুশ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, রাশিয়া আরও বেশি তেল রপ্তানি করছে। এর ফলে, এ মাসে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল তেল ভারতীয় বাজারে আশা করা হচ্ছে।