০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ভারতকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের

অमेरিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি ভারত তা না করে, তবে বিরাট পরিমাণ শুল্ক ও কর আরোপ করতে বাধ্য হবে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মোდির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রুশ তেল ক্রয় হতে আর থাকবে না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এই বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্তে অবগত নয়। ট্রাম্পের জবাবে বলা হয়, যদি ভারত তা না মানে, তবে তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়া হবে, যা তারা নিশ্চয়ই এড়াতে চাইবে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশটির জন্য বড় একটা বাধার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের অভিযোগ, ভারত রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে অর্থায়ন করছে। এর ফলে, ভারতের দেওয়া ৫০ শতাংশ শুল্কের অর্ধেকেরও বেশি এসব তেল কেনার জন্য ঝুলছে। ২০২২ সালে রাশিয়া পশ্চিমা শক্তিগুলোর চাপের মধ্যে ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর পর থেকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া বেশি ছাড় দিয়ে তেল বিক্রি শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতের একটি বড় ক্রেতা হিসেবে দেখা গেছে, যেটা এখন রাশিয়ার তেল আমদানির সাথে সম্পর্কিত। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, মোদিও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা রুশ তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে কোনো টেলিফোন বা আলোচনা হয়নি। ভারতের অধিবাসীরা মূলত তাদের ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের প্রধান উদ্বেগ। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান, ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানির অর্ধেক কমিয়েছে। তবে ভারতের সূত্র বলছে, তা-ও এখনো তেল কেনা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন তেল পরিশোধনাগার নভেম্বরের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, আর ডিসেম্বরেও কিছু তেল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে, ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যে তেল আমদানি কিছুটা কমতে পারে। তথ্যপ্রতিষ্ঠান কেপলার জানায়, এই মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানিতে ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি হতে পারে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলাকারী আক্রমণে রুশ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, রাশিয়া আরও বেশি তেল রপ্তানি করছে। এর ফলে, এ মাসে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল তেল ভারতীয় বাজারে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ভারতকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের

প্রকাশিতঃ ১১:৩৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

অमेरিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি ভারত তা না করে, তবে বিরাট পরিমাণ শুল্ক ও কর আরোপ করতে বাধ্য হবে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মোდির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রুশ তেল ক্রয় হতে আর থাকবে না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এই বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্তে অবগত নয়। ট্রাম্পের জবাবে বলা হয়, যদি ভারত তা না মানে, তবে তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়া হবে, যা তারা নিশ্চয়ই এড়াতে চাইবে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশটির জন্য বড় একটা বাধার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের অভিযোগ, ভারত রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে অর্থায়ন করছে। এর ফলে, ভারতের দেওয়া ৫০ শতাংশ শুল্কের অর্ধেকেরও বেশি এসব তেল কেনার জন্য ঝুলছে। ২০২২ সালে রাশিয়া পশ্চিমা শক্তিগুলোর চাপের মধ্যে ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর পর থেকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া বেশি ছাড় দিয়ে তেল বিক্রি শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতের একটি বড় ক্রেতা হিসেবে দেখা গেছে, যেটা এখন রাশিয়ার তেল আমদানির সাথে সম্পর্কিত। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, মোদিও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা রুশ তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে কোনো টেলিফোন বা আলোচনা হয়নি। ভারতের অধিবাসীরা মূলত তাদের ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের প্রধান উদ্বেগ। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার জানান, ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানির অর্ধেক কমিয়েছে। তবে ভারতের সূত্র বলছে, তা-ও এখনো তেল কেনা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন তেল পরিশোধনাগার নভেম্বরের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, আর ডিসেম্বরেও কিছু তেল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে, ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যে তেল আমদানি কিছুটা কমতে পারে। তথ্যপ্রতিষ্ঠান কেপলার জানায়, এই মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানিতে ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি হতে পারে। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলাকারী আক্রমণে রুশ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, রাশিয়া আরও বেশি তেল রপ্তানি করছে। এর ফলে, এ মাসে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল তেল ভারতীয় বাজারে আশা করা হচ্ছে।