০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

চট্টগ্রামের রাউজানে ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই আবারো সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। একই সময়ে রিয়াজ ও আকিব নামে দুজন যুবদল নেতাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত বিএনপি নেতা আলমগীর আলম। তিনি পূর্ব রাউজানের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। আলমগীরের ছেলে আসফায়েত হোসেন বলেন, শনিবার দুপুরে পরিবারসহ পূর্ব রাউজান রশিদ পাড়ায় ফুফুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন তারা। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তাঁর বাবাকে হত্যা করে। ওই সময় আহত হন রিয়াজ ও আকিব, যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের পরিচয় আলমগীর বলে নিশ্চিত হয়েছেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, আলমগীর দীগ্যর শাসনামলে দীর্ঘ ১২ বছর কারাবাসের পর সম্প্রতি মুক্তি পান। তার উপর এ রকম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের জন্য দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ অক্টোবর রাউজানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অষ্পষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট আরও ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের রাউজানে ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই আবারো সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। একই সময়ে রিয়াজ ও আকিব নামে দুজন যুবদল নেতাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত বিএনপি নেতা আলমগীর আলম। তিনি পূর্ব রাউজানের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। আলমগীরের ছেলে আসফায়েত হোসেন বলেন, শনিবার দুপুরে পরিবারসহ পূর্ব রাউজান রশিদ পাড়ায় ফুফুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন তারা। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তাঁর বাবাকে হত্যা করে। ওই সময় আহত হন রিয়াজ ও আকিব, যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের পরিচয় আলমগীর বলে নিশ্চিত হয়েছেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, আলমগীর দীগ্যর শাসনামলে দীর্ঘ ১২ বছর কারাবাসের পর সম্প্রতি মুক্তি পান। তার উপর এ রকম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের জন্য দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ অক্টোবর রাউজানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অষ্পষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট আরও ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।