০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

চট্টগ্রামের রাউজানে ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই আবারো সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। একই সময়ে রিয়াজ ও আকিব নামে দুজন যুবদল নেতাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত বিএনপি নেতা আলমগীর আলম। তিনি পূর্ব রাউজানের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। আলমগীরের ছেলে আসফায়েত হোসেন বলেন, শনিবার দুপুরে পরিবারসহ পূর্ব রাউজান রশিদ পাড়ায় ফুফুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন তারা। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তাঁর বাবাকে হত্যা করে। ওই সময় আহত হন রিয়াজ ও আকিব, যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের পরিচয় আলমগীর বলে নিশ্চিত হয়েছেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, আলমগীর দীগ্যর শাসনামলে দীর্ঘ ১২ বছর কারাবাসের পর সম্প্রতি মুক্তি পান। তার উপর এ রকম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের জন্য দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ অক্টোবর রাউজানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অষ্পষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট আরও ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের রাউজানে ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই আবারো সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। একই সময়ে রিয়াজ ও আকিব নামে দুজন যুবদল নেতাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত বিএনপি নেতা আলমগীর আলম। তিনি পূর্ব রাউজানের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। আলমগীরের ছেলে আসফায়েত হোসেন বলেন, শনিবার দুপুরে পরিবারসহ পূর্ব রাউজান রশিদ পাড়ায় ফুফুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন তারা। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তাঁর বাবাকে হত্যা করে। ওই সময় আহত হন রিয়াজ ও আকিব, যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের পরিচয় আলমগীর বলে নিশ্চিত হয়েছেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, আলমগীর দীগ্যর শাসনামলে দীর্ঘ ১২ বছর কারাবাসের পর সম্প্রতি মুক্তি পান। তার উপর এ রকম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের জন্য দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ অক্টোবর রাউজানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অষ্পষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট আরও ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।