১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

নেইমার কি বেছে নেবেন সান্তোস বা মায়ামি? সিদ্ধান্তের কূটকচালি

নেইমার আবারও তাঁর ক্যারিয়ার নিয়ে কঠিন এক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি। এই মুহূর্তে তাঁর সামনে দুটি মূল বিকল্প বিরাজ করছে। প্রথমটি হলো—বর্তমান ক্লাব সান্তোসেই থেকে যান, যেখানে তিনি ফিরে এসেছেন গত জানুয়ারিতে। দ্বিতীয়টি হলো—মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দলের ইন্টার মায়ামির সঙ্গে যোগদান, যেখানে তার দীর্ঘদিনের দুই বন্ধু লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজ রয়েছেন। ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো ইন্টার মায়ামিতে দেখা যাবে নেইমারকে, যেখানে তিনি আবার মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে খেলতে পারবেন। এ একটা অবশ্যই আকর্ষণীয় দৃশ্য হবে, কারণ বার্সেলোনার সময় থেকেই ‘এমএসএন’ আক্রমণত্রয়ী ফুটবল দর্শকদের মনে ছাপ ফেলেছে। তবে, সিদ্ধান্ত নেওয়া তার ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়েই, এবং এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই এই বছর শেষ হওয়ার আগে নিতে হবে। গত জানুয়ারিতে ফিরে আসার পর থেকেই নেইমার বেশ কিছু চোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সৌদি আরবের আল হিলাল তাকে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ছাড়ায়, তার বয়স এখন ৩৩ বছর। ব্রাজিলের নিজ ঘরে ফিরে গেলেও সুখের মুখ দেখা যায়নি। তাঁর সাবেক ক্লাব সান্তোস এখন অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে, আর তিনি নিজেও মাঠে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছেন না। চোটের কারণে হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা এখনো কাটিয়ে ওঠা হয়নি। ব্রাজিলে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে থাকলেও, আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে আবার ফুটবল মাঠে ফিরতে চান তিনি। স্পোর্টস দৈনিকস্পোর্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেইমার আগামী দলবদল উইন্ডোতেই নতুন গন্তব্য খুঁজছেন, যেখানে তিনি আবার আলোচনায় ফিরতে পারবেন। এতে করে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে তাঁর গুরুত্ব বোঝানোর সুযোগও তৈরি হবে। তবে, সমস্যা হলো—উরোপের বড় ক্লাবগুলো এখন তাঁর দিকে তাকাচ্ছে না। স্পোর্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ‘ইউরোপীয় ফুটবলের দরজা আপাতত নেইমারের জন্য বন্ধ’। এটাই বাস্তবতা যে, ক্লাবগুলো এখন তাকে রাখার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এর ফলে, এখন তিনি শুধুমাত্র দুই পথের মধ্যে দাঁড়িয়ে। প্রথম, সান্তোসের সঙ্গে আরও ছয় মাসের নতুন চুক্তি। দ্বিতীয়, মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়া। এমএলএসে খেলার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে আশায় ছিলেন। কারণ, সেখানে জীবনযাপন সহজ, পাশাপাশি রয়েছে খ্যাতি ও বিনোদনের জৌলুশ। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, লিওনেল মেসি সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তিন বছরের নতুন চুক্তি করেছেন, যেখানে তার বন্ধুরা মেসি ও সুয়ারেজও আছেন। ফলে, আবার মাঠে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখছেন নেইমার। কয়েকটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে আবার খেলতে পারলে দারুণ হবে। তারা আমার বন্ধু। আমরা এখনও নিয়মিত কথা বলি। এই ত্রয়ীকে আবার মাঠে দেখা নিশ্চয়ই অসাধারণ হবে।’ সময়ই দেখাবে, নেইমার শেষ পর্যন্ত কোন পথে যাবেন। তবে, যে কোনো সিদ্ধান্তই নি:সন্দেহে ফুটবলের অমোচনীয় এক অঙ্গ হয়ে থাকবে—উজ্জ্বল, আলোর বাইরে থেকেও স্মরণীয় হয়ে উঠা আমাদের হৃদয়ে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

নেইমার কি বেছে নেবেন সান্তোস বা মায়ামি? সিদ্ধান্তের কূটকচালি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

নেইমার আবারও তাঁর ক্যারিয়ার নিয়ে কঠিন এক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি। এই মুহূর্তে তাঁর সামনে দুটি মূল বিকল্প বিরাজ করছে। প্রথমটি হলো—বর্তমান ক্লাব সান্তোসেই থেকে যান, যেখানে তিনি ফিরে এসেছেন গত জানুয়ারিতে। দ্বিতীয়টি হলো—মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দলের ইন্টার মায়ামির সঙ্গে যোগদান, যেখানে তার দীর্ঘদিনের দুই বন্ধু লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজ রয়েছেন। ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো ইন্টার মায়ামিতে দেখা যাবে নেইমারকে, যেখানে তিনি আবার মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে খেলতে পারবেন। এ একটা অবশ্যই আকর্ষণীয় দৃশ্য হবে, কারণ বার্সেলোনার সময় থেকেই ‘এমএসএন’ আক্রমণত্রয়ী ফুটবল দর্শকদের মনে ছাপ ফেলেছে। তবে, সিদ্ধান্ত নেওয়া তার ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়েই, এবং এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই এই বছর শেষ হওয়ার আগে নিতে হবে। গত জানুয়ারিতে ফিরে আসার পর থেকেই নেইমার বেশ কিছু চোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সৌদি আরবের আল হিলাল তাকে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ছাড়ায়, তার বয়স এখন ৩৩ বছর। ব্রাজিলের নিজ ঘরে ফিরে গেলেও সুখের মুখ দেখা যায়নি। তাঁর সাবেক ক্লাব সান্তোস এখন অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে, আর তিনি নিজেও মাঠে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছেন না। চোটের কারণে হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা এখনো কাটিয়ে ওঠা হয়নি। ব্রাজিলে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে থাকলেও, আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে আবার ফুটবল মাঠে ফিরতে চান তিনি। স্পোর্টস দৈনিকস্পোর্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেইমার আগামী দলবদল উইন্ডোতেই নতুন গন্তব্য খুঁজছেন, যেখানে তিনি আবার আলোচনায় ফিরতে পারবেন। এতে করে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে তাঁর গুরুত্ব বোঝানোর সুযোগও তৈরি হবে। তবে, সমস্যা হলো—উরোপের বড় ক্লাবগুলো এখন তাঁর দিকে তাকাচ্ছে না। স্পোর্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ‘ইউরোপীয় ফুটবলের দরজা আপাতত নেইমারের জন্য বন্ধ’। এটাই বাস্তবতা যে, ক্লাবগুলো এখন তাকে রাখার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এর ফলে, এখন তিনি শুধুমাত্র দুই পথের মধ্যে দাঁড়িয়ে। প্রথম, সান্তোসের সঙ্গে আরও ছয় মাসের নতুন চুক্তি। দ্বিতীয়, মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়া। এমএলএসে খেলার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে আশায় ছিলেন। কারণ, সেখানে জীবনযাপন সহজ, পাশাপাশি রয়েছে খ্যাতি ও বিনোদনের জৌলুশ। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, লিওনেল মেসি সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তিন বছরের নতুন চুক্তি করেছেন, যেখানে তার বন্ধুরা মেসি ও সুয়ারেজও আছেন। ফলে, আবার মাঠে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখছেন নেইমার। কয়েকটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে আবার খেলতে পারলে দারুণ হবে। তারা আমার বন্ধু। আমরা এখনও নিয়মিত কথা বলি। এই ত্রয়ীকে আবার মাঠে দেখা নিশ্চয়ই অসাধারণ হবে।’ সময়ই দেখাবে, নেইমার শেষ পর্যন্ত কোন পথে যাবেন। তবে, যে কোনো সিদ্ধান্তই নি:সন্দেহে ফুটবলের অমোচনীয় এক অঙ্গ হয়ে থাকবে—উজ্জ্বল, আলোর বাইরে থেকেও স্মরণীয় হয়ে উঠা আমাদের হৃদয়ে।