০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সাত কলেজের অবরোধে ঢাবির বাসে হামলা, সাংবাদিকসহ ৭ আহত হিট অফিসার বুশরা আফরিনের দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ ৭ কলেজের অবরোধ প্রত্যাহার, নবম দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিসিবি পরিচালককে দায়িত্বহীন মন্তব্যের কড়া সমালোচনা ক্রীড়া উপদেষ্টার সৌদি আরবে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র উপদষ্টের সাথে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

চট্টগ্রামের রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা আলমগীর আলমসহ দুজন যুবদল নেতা আহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, এতে আলমগীর আলম (৫৫) নামে একজন নিহত হন। তার সাথে গোলাগুলিতে রিয়াজ ও আকিব নামের আরও দুই যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত আলমগীর আলম রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব রাউজান এলাকার সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। তার ছেলে আসফায়েত হোসেন জানান, শনিবার দুপুরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে তারা পূর্ব রাউজানের রশিদ পাড়ায় ফু ফুুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, যার ফলে বাবার মৃত্যু হয়। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরও বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত আলমগীরের মরদেহ সড়কের পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আলমগীরকে কে বা কারা গুলি করেছে সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ পরে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং সুরতহাল শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। বিএনপি নেতাজন এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আলমগীর দীর্ঘ ১২ বছর কারাভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছিলেন। তাকে প্রকাশ্যভাবে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া, গত ৭ অক্টোবর উপজেলায় বিএনপি কর্মী মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকেও (৫২) হত্যা করা হয়, যখন তিনি খামার বাড়ি থেকে ফিরে আসছিলেন। এ ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক সহিংসতার দাগ সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্টের পর রাউজানে মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমাকে রেখে আমার পা জান্নাতে চলে গেছে: ফিলিস্তিনি কিশোরী

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা আলমগীর আলমসহ দুজন যুবদল নেতা আহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, এতে আলমগীর আলম (৫৫) নামে একজন নিহত হন। তার সাথে গোলাগুলিতে রিয়াজ ও আকিব নামের আরও দুই যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত আলমগীর আলম রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব রাউজান এলাকার সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আবদুস সত্তারের ছেলে। তার ছেলে আসফায়েত হোসেন জানান, শনিবার দুপুরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে তারা পূর্ব রাউজানের রশিদ পাড়ায় ফু ফুুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে কায়কোবাদ আহম্মদ জামে মসজিদের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, যার ফলে বাবার মৃত্যু হয়। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরও বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত আলমগীরের মরদেহ সড়কের পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আলমগীরকে কে বা কারা গুলি করেছে সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ পরে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং সুরতহাল শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। বিএনপি নেতাজন এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আলমগীর দীর্ঘ ১২ বছর কারাভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছিলেন। তাকে প্রকাশ্যভাবে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়া, গত ৭ অক্টোবর উপজেলায় বিএনপি কর্মী মুহাম্মদ আবদুল হাকিমকেও (৫২) হত্যা করা হয়, যখন তিনি খামার বাড়ি থেকে ফিরে আসছিলেন। এ ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক সহিংসতার দাগ সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্টের পর রাউজানে মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত বলে জানা গেছে।