০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

দেশের অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে শত্রুরা: বিএনপি মহাসচিব

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, দেশের শত্রুরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি একদিকে অনিশ্চয়তা এবং হতাশার চেহারা নিচ্ছে, সাধারণ মানুষ বারবার ভাবছেন, সামনে কী হতে যাচ্ছে বা কী হবে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বাংলাদেশের কিছু শত্রু আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ছোট ছোট কৌশলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তারা মিথ্যা প্রচার ও প্রপাগান্ডা চালিয়ে দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করছে। গতকাল রোববার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

এসময় তিনি ৭ নভেম্বরের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে দেশের ঐক্য এবং স্বাধীনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশের মুক্তির জন্য তাঁর নেতৃত্বের স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে। একইভাবে বর্তমান নেতা তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশের জন্য নতুন আস্থা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার কাজ করে চলেছেন, যা দেশের অপরিহার্য অর্জন।

নয়া পল্টনে সাংগঠনিক বৈঠক শেষে ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে দলের এবং অঙ্গসংগঠনের যৌথ সভা হয়। এই সভায় বিএনপি মহাসচিব সভাপতিত্ব করেন এবং পরে তিনি সংবাদ সম্মেলনে আসেন।

মহাসচিব উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের সময়কাল তুলে ধরে বলেন, তার শাসন আমলে দেশ এক নেয়ামতপূর্ণ যাত্রা শুরু করেছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, শত্রুরা দেশের আদর্শবাদী এই নেতা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মমভাবে হত্যা করে, যা দেশের এক অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা করে।

জিয়া রহমানের বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, অর্থনীতি, শিক্ষা, শিল্প, কৃষি, গণমাধ্যম ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচির উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের দর্শন ও বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন কখনো পরাজিত হবে না। এই মানসিকতা নিয়ে বিএনপি কখনো হোঁচট খায়নি, বরং ধাক্কা খেয়ে আবার উঠে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বর আমাদের রাজনৈতিক জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিবস, এ কারণেই আমরা ঐতিহ্যটি স্মরণ করে রাখি এবং জিয়াউর রহমানের দর্শনের ভিত্তিতে অগ্রসর হতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী Shamsur Rahman Shimul বিশ্বাসসহ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

দেশের অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে শত্রুরা: বিএনপি মহাসচিব

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, দেশের শত্রুরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি একদিকে অনিশ্চয়তা এবং হতাশার চেহারা নিচ্ছে, সাধারণ মানুষ বারবার ভাবছেন, সামনে কী হতে যাচ্ছে বা কী হবে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বাংলাদেশের কিছু শত্রু আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ছোট ছোট কৌশলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তারা মিথ্যা প্রচার ও প্রপাগান্ডা চালিয়ে দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করছে। গতকাল রোববার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

এসময় তিনি ৭ নভেম্বরের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে দেশের ঐক্য এবং স্বাধীনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশের মুক্তির জন্য তাঁর নেতৃত্বের স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে। একইভাবে বর্তমান নেতা তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশের জন্য নতুন আস্থা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার কাজ করে চলেছেন, যা দেশের অপরিহার্য অর্জন।

নয়া পল্টনে সাংগঠনিক বৈঠক শেষে ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে দলের এবং অঙ্গসংগঠনের যৌথ সভা হয়। এই সভায় বিএনপি মহাসচিব সভাপতিত্ব করেন এবং পরে তিনি সংবাদ সম্মেলনে আসেন।

মহাসচিব উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের সময়কাল তুলে ধরে বলেন, তার শাসন আমলে দেশ এক নেয়ামতপূর্ণ যাত্রা শুরু করেছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, শত্রুরা দেশের আদর্শবাদী এই নেতা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মমভাবে হত্যা করে, যা দেশের এক অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা করে।

জিয়া রহমানের বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, অর্থনীতি, শিক্ষা, শিল্প, কৃষি, গণমাধ্যম ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচির উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের দর্শন ও বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন কখনো পরাজিত হবে না। এই মানসিকতা নিয়ে বিএনপি কখনো হোঁচট খায়নি, বরং ধাক্কা খেয়ে আবার উঠে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বর আমাদের রাজনৈতিক জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিবস, এ কারণেই আমরা ঐতিহ্যটি স্মরণ করে রাখি এবং জিয়াউর রহমানের দর্শনের ভিত্তিতে অগ্রসর হতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী Shamsur Rahman Shimul বিশ্বাসসহ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।