১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।