০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।