০২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

হিলি বন্দরে আট বছরের বিরতির পর ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পরে আবারকার কিছু ভারতীয় আপেল আমদানির সুযোগ প্রশস্থ হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতি শেষে রোববার রাতে হিলি স্থলবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এটি দেশের বাজারে আপেলের চাহিদা পূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানিয়েছেন, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারত থেকে বৈধ উপায়ে আপেল আসেনি। তবে সম্প্রতি দুই দেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠকের পর দু’দেশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। রোববার বিকেল থেকে হিলির এই বন্দরে আপেল আমদানি শুরু হয়। কাশ্মিরের আপেল সরবরাহ করেছে চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠান।

শিল্পী জানান, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতে থেকে বোঝাই ট্রাকটি বন্দরে প্রবেশ করে। প্রথম দিনেই এক ট্রাকে ৩০ টন আপেল বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছেছে। কাস্টমসের যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার দিকে এই আপেলগুলো খালাসের কাজ শুরু হয়।

হিলি বন্দরের শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত এই আপেল আমদানি শুরু হওয়ায় তারা ভীষণ খুশি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আমদানির পরিমাণ বাড়াতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর আরও সহযোগিতা প্রয়োজন। শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এর মাধ্যমে বাজারের চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি দেশের রপ্তানি রাজস্বও বাড়বে।

অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে বলছেন, এখনও অবৈধ পথে ভারত থেকে আপেল প্রবেশ করছে। এতে সরকারের রাজস্ব কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। তাঁরা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই অবৈধ আমদানি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানো হচ্ছে।

হিলি কাস্টমস বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, প্রতি টন আপেল শুল্কায়নের জন্য ৭০০ ডলার নির্ধারিত হয়েছে। দ্রুত শুল্কায়ন এবং নিরাপদ আমদানির জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে সাহায্য করবে এবং আরও ট্রাক আপেল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের বাজারে অ্যাপেলের সরবরাহ আগের চেয়েও বৃদ্ধি পাবে।