০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর ভাষ্য, একমাত্র একটি সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারব, অন্য কোনও বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাই মিলেই যদি দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফল হবে বলে তিনি দৃঢ় উচ্চারণ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এইচ এম নুরুল হুদা ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম উল্লেখ করেন, নির্বাচনে প্রায় ৯ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মাঠে থাকবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল কোর্ট, অ্যাক্টিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মনিটরিং টিম ও অবজারভেশন টিম—all মাঠে থাকবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী ও উদ্বেগহীন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশ থেকে প্রায় ৪৩ হাজার প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন নিয়োজিত হয়েছেন। এরা নির্বাচনের মূল পার্টি—প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন তার দায়িত্বে সবসময় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সচেতন থাকেন, সে লক্ষ্য রেখেই কাজ করছি।

নির্বাচনী আচরণবিধির বাইরে থাকা অঙ্গীকারনামাগুলোর ব্যাপারে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আনুগত্যের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য দুটি অঙ্গীকারনামা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাতে প্রার্থীর যোগ্যতা বাতিলের বিষয় এবং অন্যান্য কঠোর বিধানগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং এর মাধ্যমেই অতীতের ভুলগুলো শুধরে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তিনি বলেন, অনেক নিয়মের মধ্যে প্রার্থিতা বাতিল ও আসন বাতিলের বিধানও রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরো সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করে তুলবে।

অন্তিমভাবে, তিনি বলেন, বাজেট ও সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তিতে আমরা ভুলগুলো মাথায় রেখে নতুন করে বদ্ধপরিকর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর ভাষ্য, একমাত্র একটি সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারব, অন্য কোনও বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাই মিলেই যদি দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফল হবে বলে তিনি দৃঢ় উচ্চারণ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এইচ এম নুরুল হুদা ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম উল্লেখ করেন, নির্বাচনে প্রায় ৯ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মাঠে থাকবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল কোর্ট, অ্যাক্টিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মনিটরিং টিম ও অবজারভেশন টিম—all মাঠে থাকবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী ও উদ্বেগহীন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশ থেকে প্রায় ৪৩ হাজার প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন নিয়োজিত হয়েছেন। এরা নির্বাচনের মূল পার্টি—প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন তার দায়িত্বে সবসময় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সচেতন থাকেন, সে লক্ষ্য রেখেই কাজ করছি।

নির্বাচনী আচরণবিধির বাইরে থাকা অঙ্গীকারনামাগুলোর ব্যাপারে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আনুগত্যের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য দুটি অঙ্গীকারনামা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাতে প্রার্থীর যোগ্যতা বাতিলের বিষয় এবং অন্যান্য কঠোর বিধানগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং এর মাধ্যমেই অতীতের ভুলগুলো শুধরে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তিনি বলেন, অনেক নিয়মের মধ্যে প্রার্থিতা বাতিল ও আসন বাতিলের বিধানও রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরো সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করে তুলবে।

অন্তিমভাবে, তিনি বলেন, বাজেট ও সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তিতে আমরা ভুলগুলো মাথায় রেখে নতুন করে বদ্ধপরিকর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।