০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে ৬ পাদুকা কারখানায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহরে এক ঘণ্টার অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি পাদুকা কারখানা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, যার ফলে প্রায় ২০ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকার পাদুকা ও সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে। ঘটনার সময় রোববার বেলা আড়াইটার দিকে শহরের কমলপুর মধ্যপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ভৈরবের কমলপুর মধ্যপাড়ায় শের আলীর বাড়ি সংলগ্ন একটি টিনসেট হাফ বিল্ডিংয়ে অবস্থিত কয়েকটি পাদুকা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার তার্স দিয়ে অগ্নি নির্বাপণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এতে সিরাজুল ইসলামের মালিকানাধীন চারটি পাদুকা কারখানা, বিপ্লব মিয়ার কারখানা, ওমমউজ্জিল্লার কারখানা সহ আরও দুটি কারখানার পণ্য, সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ভৈরবের এই ভয়াবহ অগ্নিসংকটে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখযোগ্য। কারখানা মালিকেরা অনুমান করছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা।

অগ্নিনির্বাপণকারী সরেজমিনের সাক্ষাৎকারে কারখানা মালিক শরীফ মিয়া বলেন, ‘দুপুরে কাজের সময় হঠাৎ একটা শব্দ শুনে আমরা বুঝতে পারলাম যে আগুন লেগেছে। দ্রুত সবাই বের হয়ে আসি। বাড়ির মধ্যে ছিল চারটি কারখানা এবং আরও দুটি। সব মিলিয়ে মোট ছয়টি কারখানার পণ্য ও সরঞ্জাম এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায়। আমি বলছি, আমার সব অর্থ ও প্রচেষ্টা আজ বিনষ্ট হয়ে গেছে।’

ফায়ার স্টেশনের অফিসার মো. আল আমিন বলেছেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃতি এবং পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো হবে।’

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আতঙ্কে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত অপূরণ করার চেষ্টা চলছে। তবে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ নিশ্চিত করে তদন্ত চালানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে ৬ পাদুকা কারখানায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহরে এক ঘণ্টার অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি পাদুকা কারখানা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, যার ফলে প্রায় ২০ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকার পাদুকা ও সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে। ঘটনার সময় রোববার বেলা আড়াইটার দিকে শহরের কমলপুর মধ্যপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ভৈরবের কমলপুর মধ্যপাড়ায় শের আলীর বাড়ি সংলগ্ন একটি টিনসেট হাফ বিল্ডিংয়ে অবস্থিত কয়েকটি পাদুকা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার তার্স দিয়ে অগ্নি নির্বাপণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এতে সিরাজুল ইসলামের মালিকানাধীন চারটি পাদুকা কারখানা, বিপ্লব মিয়ার কারখানা, ওমমউজ্জিল্লার কারখানা সহ আরও দুটি কারখানার পণ্য, সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ভৈরবের এই ভয়াবহ অগ্নিসংকটে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখযোগ্য। কারখানা মালিকেরা অনুমান করছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা।

অগ্নিনির্বাপণকারী সরেজমিনের সাক্ষাৎকারে কারখানা মালিক শরীফ মিয়া বলেন, ‘দুপুরে কাজের সময় হঠাৎ একটা শব্দ শুনে আমরা বুঝতে পারলাম যে আগুন লেগেছে। দ্রুত সবাই বের হয়ে আসি। বাড়ির মধ্যে ছিল চারটি কারখানা এবং আরও দুটি। সব মিলিয়ে মোট ছয়টি কারখানার পণ্য ও সরঞ্জাম এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায়। আমি বলছি, আমার সব অর্থ ও প্রচেষ্টা আজ বিনষ্ট হয়ে গেছে।’

ফায়ার স্টেশনের অফিসার মো. আল আমিন বলেছেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃতি এবং পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো হবে।’

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আতঙ্কে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত অপূরণ করার চেষ্টা চলছে। তবে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ নিশ্চিত করে তদন্ত চালানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন।