১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

তারেক রহমান: ইতিহাসের অগ্নিপথ পার করে জাতির স্বপ্নের শিখরে

কোনো কোনো জন্মদিন শুধুই ব্যক্তিগত আনন্দের নয়, এটি সময়ের ইতিহাসকে স্পর্শ করে। ২০ নভেম্বর এমন এক দিন, যখন পৃথিবীর বুকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন একজন মানুষ—যাঁর জীবন, সংগ্রাম ও নীরব শক্তি আজও জাতির জন্য আশার আলো হয়ে জ্বলজ্বল করছে। তিনি হলেন জনাব তারেক রহমান, যিনি জন্মসুত্রের পরিচয়কে অতিক্রম করে দেশের মানুষের স্বপ্ন, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও ইতিহাসের অম্লান চিহ্নে পরিণত হয়েছেন।

উত্তরাধিকার থেকে আত্মনির্মাণ:
স্বাধীনতার মহান ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে তার শৈশব ও তরুণ সময় রাজনীতি এবং দেশপ্রেমে গড়ে ওঠে। তবে তিনি কখনোই পারিবারিক গৌরবের ওপর ভর করে নেতৃত্ব দাবি করেননি। জানতেন—নেতৃত্ব পাওয়া নয়, অর্জন করা যায় মানুষের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার মাধ্যমে। এজন্য তিনি গ্রাম থেকে শহর, নদী থেকে পাহাড়, কৃষকের ঘর থেকে শ্রমিকের কুটি—সবার কাছে পৌঁছানোর জন্য হেঁটেছেন। মানুষকে বিবেকবোধে উদ্বুদ্ধ করতে, তাদের কষ্ট শুনতে, গোপনে আঘাত দিতেন। মাটির গন্ধ থেকে তিনি শিখেছেন—রাজনীতি কেমন হয়, মানুষের জন্য দায় কেন গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই উত্তরাধিকার থেকে উত্তরণের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন সত্যিকারের নেতৃত্ব।

জনগণের হৃদয়ে পৌঁছানো নতুন রাজনীতির কারিগর:
তারেক রহমান রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে বিশ্বাস করেন। তার কথায় যেমন আছে সংযম, তেমনি কাজেও রয়েছে বাস্তবতার আলো। তিনি মনে করেন—রাজনীতি তখনই জীবন্ত, যখন সাধারণ মানুষ তাদের স্বর শোনা হয়; যখন গ্রামের চায়ের দোকানের আলোচনা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেশের রাজনীতির অংশ হয়ে ওঠে। দল নয়, মানুষই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। তরুণদের তিনি স্বপ্ন দেখা শেখান, শ্রমজীবী মানুষকে নিজেদের অধিকার চেনার পথে উদ্বুদ্ধ করেন। দলকে দেখায়—শক্তির উৎস তৃণমূলের আস্থা ও মানুষের বিশ্বাস। এইভাবে তিনি গড়ে তোলেন এক নতুন, জনমুখী রাজনীতি।

ব্যক্তিজীবনের নীরবতা ও অগ্নিশিখা:
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সংযত—সাধারণ পরিস্থিতিতে আরও বিত্তবান, তবে কখনোই নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন না। তিনি শব্দের বদলে দৃষ্টির গভীরতা দিয়ে মানুষের মন জয় করেছেন। নিজের পরিস্থিতি বা বেদনা কখনো প্রকাশ করেননি; জানতেন, নেতৃত্বের প্রথম শর্ত নিজের কষ্টকে ভেতরে ধারণ করা, আর মানুষের কষ্টকে বুঝে তা সমাধান খুঁজে নেওয়া। তার নীরবতা শক্তির উৎস, যা প্রমাণ করে—শক্তির মর্যাদা অপ্রতিরোধ্য। এই গোপনীয়তা দুর্বলতা নয়, বরং ঐক্যের জন্য এক মহাশক্তি।

দুঃসময়ের অগ্নিপথে অটুট যোদ্ধাঃ
হাসিনা সরকারের দমন-পীড়নে তার জীবন এক ভয়ংকর অধ্যায়ের মুখোমুখি হয়েছে। নির্যাতনের ভার তিনি গোপনে বহন করে গেছেন, বহু মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। বন্দী জীবন, নির্বাসন—all these have tested his resilience. However, even in adversity, he remained অটুট—জেলার অন্ধকারে তার দৃশ্যমানতাকে একটু কমাতে পারেনি। প্রতিহিংসার স্রোতও তাকে তার মানসিকতা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। তিনি প্রমাণ করেছেন—শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিন্তু সত্যিকার নেতৃত্বের আত্মা কখনো বন্দি হয় না। হারানো ভাইয়ের বেদনা কিংবা নির্বাসনের কষ্ট তার মনকে দুর্বল করেনি; বরং দেশ থেকে দুরে থাকলেও তার হৃদয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রদর্শন: স্বপ্নের বাস্তবায়ন:
তারেক রহমান গণতন্ত্রকে কেবল রাজনীতির নিয়ম হিসেবে দেখেননি, এটিকে মানুষের মর্যাদার মূল হিসেবে বিশ্বাস করেন। তিনি মনে করেন—অসাধারণ উন্নয়নের পোশাক না পরা রাষ্ট্রও অসার। তার ভাবনায় রয়েছে সমান সুযোগ, ন্যায়ভিত্তিক সম্পদ বণ্টন, তৃণমূলের ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তির ব্যবহার—এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—মানুষের অধিকারকে প্রধান করে রাখা। তিনি চান একটি রাষ্ট্র যেখানে মানুষ ভয় না করে আস্থায় জীবন যাপন করে; যেখানে আইনের ন্যায় সবের জন্য সমান; যেখানে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়, মানবতার মূলমন্ত্র হয়ে।

উচ্চতায় অর্জন, বেদনা ও স্বপ্নের আলো:
তারেক রহমানের জীবনে রয়েছে মানুষের প্রচণ্ড ভালোবাসা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। তিনি স্বপ্ন দেখান—একজন নেতৃত্বের, তরুণদের প্রেরণার, গণতন্ত্রের সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। তিনি দেশের বাইরে থেকেও দেশের রাজনীতি প্রভাবিত করেন, কারণ তিনি মানুষের হৃদয়ে বাস করেন, তাদের কণ্ঠে আছেন। তবে তার জীবনেও আছে নানা অপূর্ণতা—মা দীর্ঘদিন কারাবরণ, ছোট ভাই হত্যার স্মৃতি, গুম-খুনের আকষ্মিক স্মৃতি, দেশের আকাশ দেখা না পেয়ে বেদনা। এই সব অপ্রাপ্তি তার নেতৃত্বের ওপর কখনো টান দেয়নি; বরং আরও তীক্ষ্ণ, মানবিক ও দৃঢ় করে তুলেছে।

আজকের বাংলাদেশ তার প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষায়:
একটি জাতির মন বর্তমানে এক সুরে বলে— এই মানুষটিকে ফিরে আসার প্রয়োজন। যিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে, বর্তমান বুঝে, ভবিষ্যৎ গড়নে সক্ষম। তিনি অন্যায়ের সাথে লড়াই করেন, অন্যায়ের কাছে হার মানেন না। তার প্রত্যাবর্তন মানে—গণতন্ত্রের নতুন বার্তা, আইনের শাসন, ও নৈতিক মূলবোধের উত্থান। তিনি সূর্যের মতো আলো, দিশারীর মতো স্বপ্নের নাম—যার ওপর ভিত্তি করেই এক জাতি একত্রিত হওয়ার অপেক্ষায়।

মানুষের মর্যাদা হচ্ছে দেশের সবচেয়ে পবিত্র শক্তি, এই বিশ্বাসকে কেন্দ্রীয় রেখে ভয়কে নয়—সত্যকেই করব ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি নতুন দিশা খুঁজে নেবে।

শুভ জন্মদিন, প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান। আপনার যাত্রা হোক আলোয় ভরা, আপনার প্রত্যাবর্তনে উজ্জ্বল হোক আমাদের বাংলাদেশ। মহান আল্লাহ আপনাকে হায়াত দান করুন। আমিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: ইতিহাসের অগ্নিপথ পার করে জাতির স্বপ্নের শিখরে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

কোনো কোনো জন্মদিন শুধুই ব্যক্তিগত আনন্দের নয়, এটি সময়ের ইতিহাসকে স্পর্শ করে। ২০ নভেম্বর এমন এক দিন, যখন পৃথিবীর বুকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন একজন মানুষ—যাঁর জীবন, সংগ্রাম ও নীরব শক্তি আজও জাতির জন্য আশার আলো হয়ে জ্বলজ্বল করছে। তিনি হলেন জনাব তারেক রহমান, যিনি জন্মসুত্রের পরিচয়কে অতিক্রম করে দেশের মানুষের স্বপ্ন, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও ইতিহাসের অম্লান চিহ্নে পরিণত হয়েছেন।

উত্তরাধিকার থেকে আত্মনির্মাণ:
স্বাধীনতার মহান ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে তার শৈশব ও তরুণ সময় রাজনীতি এবং দেশপ্রেমে গড়ে ওঠে। তবে তিনি কখনোই পারিবারিক গৌরবের ওপর ভর করে নেতৃত্ব দাবি করেননি। জানতেন—নেতৃত্ব পাওয়া নয়, অর্জন করা যায় মানুষের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার মাধ্যমে। এজন্য তিনি গ্রাম থেকে শহর, নদী থেকে পাহাড়, কৃষকের ঘর থেকে শ্রমিকের কুটি—সবার কাছে পৌঁছানোর জন্য হেঁটেছেন। মানুষকে বিবেকবোধে উদ্বুদ্ধ করতে, তাদের কষ্ট শুনতে, গোপনে আঘাত দিতেন। মাটির গন্ধ থেকে তিনি শিখেছেন—রাজনীতি কেমন হয়, মানুষের জন্য দায় কেন গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই উত্তরাধিকার থেকে উত্তরণের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন সত্যিকারের নেতৃত্ব।

জনগণের হৃদয়ে পৌঁছানো নতুন রাজনীতির কারিগর:
তারেক রহমান রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে বিশ্বাস করেন। তার কথায় যেমন আছে সংযম, তেমনি কাজেও রয়েছে বাস্তবতার আলো। তিনি মনে করেন—রাজনীতি তখনই জীবন্ত, যখন সাধারণ মানুষ তাদের স্বর শোনা হয়; যখন গ্রামের চায়ের দোকানের আলোচনা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেশের রাজনীতির অংশ হয়ে ওঠে। দল নয়, মানুষই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। তরুণদের তিনি স্বপ্ন দেখা শেখান, শ্রমজীবী মানুষকে নিজেদের অধিকার চেনার পথে উদ্বুদ্ধ করেন। দলকে দেখায়—শক্তির উৎস তৃণমূলের আস্থা ও মানুষের বিশ্বাস। এইভাবে তিনি গড়ে তোলেন এক নতুন, জনমুখী রাজনীতি।

ব্যক্তিজীবনের নীরবতা ও অগ্নিশিখা:
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সংযত—সাধারণ পরিস্থিতিতে আরও বিত্তবান, তবে কখনোই নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন না। তিনি শব্দের বদলে দৃষ্টির গভীরতা দিয়ে মানুষের মন জয় করেছেন। নিজের পরিস্থিতি বা বেদনা কখনো প্রকাশ করেননি; জানতেন, নেতৃত্বের প্রথম শর্ত নিজের কষ্টকে ভেতরে ধারণ করা, আর মানুষের কষ্টকে বুঝে তা সমাধান খুঁজে নেওয়া। তার নীরবতা শক্তির উৎস, যা প্রমাণ করে—শক্তির মর্যাদা অপ্রতিরোধ্য। এই গোপনীয়তা দুর্বলতা নয়, বরং ঐক্যের জন্য এক মহাশক্তি।

দুঃসময়ের অগ্নিপথে অটুট যোদ্ধাঃ
হাসিনা সরকারের দমন-পীড়নে তার জীবন এক ভয়ংকর অধ্যায়ের মুখোমুখি হয়েছে। নির্যাতনের ভার তিনি গোপনে বহন করে গেছেন, বহু মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। বন্দী জীবন, নির্বাসন—all these have tested his resilience. However, even in adversity, he remained অটুট—জেলার অন্ধকারে তার দৃশ্যমানতাকে একটু কমাতে পারেনি। প্রতিহিংসার স্রোতও তাকে তার মানসিকতা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। তিনি প্রমাণ করেছেন—শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিন্তু সত্যিকার নেতৃত্বের আত্মা কখনো বন্দি হয় না। হারানো ভাইয়ের বেদনা কিংবা নির্বাসনের কষ্ট তার মনকে দুর্বল করেনি; বরং দেশ থেকে দুরে থাকলেও তার হৃদয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রদর্শন: স্বপ্নের বাস্তবায়ন:
তারেক রহমান গণতন্ত্রকে কেবল রাজনীতির নিয়ম হিসেবে দেখেননি, এটিকে মানুষের মর্যাদার মূল হিসেবে বিশ্বাস করেন। তিনি মনে করেন—অসাধারণ উন্নয়নের পোশাক না পরা রাষ্ট্রও অসার। তার ভাবনায় রয়েছে সমান সুযোগ, ন্যায়ভিত্তিক সম্পদ বণ্টন, তৃণমূলের ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তির ব্যবহার—এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—মানুষের অধিকারকে প্রধান করে রাখা। তিনি চান একটি রাষ্ট্র যেখানে মানুষ ভয় না করে আস্থায় জীবন যাপন করে; যেখানে আইনের ন্যায় সবের জন্য সমান; যেখানে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়, মানবতার মূলমন্ত্র হয়ে।

উচ্চতায় অর্জন, বেদনা ও স্বপ্নের আলো:
তারেক রহমানের জীবনে রয়েছে মানুষের প্রচণ্ড ভালোবাসা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। তিনি স্বপ্ন দেখান—একজন নেতৃত্বের, তরুণদের প্রেরণার, গণতন্ত্রের সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। তিনি দেশের বাইরে থেকেও দেশের রাজনীতি প্রভাবিত করেন, কারণ তিনি মানুষের হৃদয়ে বাস করেন, তাদের কণ্ঠে আছেন। তবে তার জীবনেও আছে নানা অপূর্ণতা—মা দীর্ঘদিন কারাবরণ, ছোট ভাই হত্যার স্মৃতি, গুম-খুনের আকষ্মিক স্মৃতি, দেশের আকাশ দেখা না পেয়ে বেদনা। এই সব অপ্রাপ্তি তার নেতৃত্বের ওপর কখনো টান দেয়নি; বরং আরও তীক্ষ্ণ, মানবিক ও দৃঢ় করে তুলেছে।

আজকের বাংলাদেশ তার প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষায়:
একটি জাতির মন বর্তমানে এক সুরে বলে— এই মানুষটিকে ফিরে আসার প্রয়োজন। যিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে, বর্তমান বুঝে, ভবিষ্যৎ গড়নে সক্ষম। তিনি অন্যায়ের সাথে লড়াই করেন, অন্যায়ের কাছে হার মানেন না। তার প্রত্যাবর্তন মানে—গণতন্ত্রের নতুন বার্তা, আইনের শাসন, ও নৈতিক মূলবোধের উত্থান। তিনি সূর্যের মতো আলো, দিশারীর মতো স্বপ্নের নাম—যার ওপর ভিত্তি করেই এক জাতি একত্রিত হওয়ার অপেক্ষায়।

মানুষের মর্যাদা হচ্ছে দেশের সবচেয়ে পবিত্র শক্তি, এই বিশ্বাসকে কেন্দ্রীয় রেখে ভয়কে নয়—সত্যকেই করব ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি নতুন দিশা খুঁজে নেবে।

শুভ জন্মদিন, প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান। আপনার যাত্রা হোক আলোয় ভরা, আপনার প্রত্যাবর্তনে উজ্জ্বল হোক আমাদের বাংলাদেশ। মহান আল্লাহ আপনাকে হায়াত দান করুন। আমিন।