০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাটি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আরও শক্তিশালী হতে পারে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছে প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার প্রবাসী আয়। এর পরিমাণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মুদ্রায় প্রয়োজনীয় হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করলে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে, তাহলে এই মাসে মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে আসা রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি। গত বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

এই অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০৯ কোটি ডলার বেশি। তখন ছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলশ্রুতিতে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৫.৯ শতাংশ।

বিশেষ করে, গত বছর রমজান ও ঈদকেন্দ্রিক মাসে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। দেশের রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রত্যেক মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ এই রকম ছিল: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং নভেম্বরায় ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

বিশেষ করে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয় মোট ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছাড়াতে পারে তিন বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারাটি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আরও শক্তিশালী হতে পারে। চলতি ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে দেশে এসেছে প্রায় ২১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার প্রবাসী আয়। এর পরিমাণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মুদ্রায় প্রয়োজনীয় হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করলে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে, তাহলে এই মাসে মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিসেম্বরে প্রথম ২০ দিনে আসা রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৯ কোটি ডলার বেশি। গত বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

এই অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০৯ কোটি ডলার বেশি। তখন ছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলশ্রুতিতে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৫.৯ শতাংশ।

বিশেষ করে, গত বছর রমজান ও ঈদকেন্দ্রিক মাসে এক মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার থেকে বেশি। দেশের রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণায় বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর উৎসাহ বৃদ্ধি ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রত্যেক মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ এই রকম ছিল: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং নভেম্বরায় ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

বিশেষ করে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয় মোট ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।