০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

হিরো আলমের যোগদানে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধনা মহল দল ছাড়লেন

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান যখন অন্য দল থেকে আসা নেতাদের জন্য দরজা খোলা থাকার ঘোষণা দেন, ঠিক তখনই দলের সহসভাপতি সাধনা মহল দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে তাকে প্রকাশ্যভাবে সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করতে দেখা যায়, হিরো আলমের আমজনতার দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পরপরই তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি একটি পোস্টে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সাধনা মহল সরাসরি কারণ উল্লেখ না করলেও মন্তব্যের ঘরে ভক্ত ও অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে তার সিদ্ধান্তের ধরণের পেছনের কারণগুলো উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, হিরো আলমের অর্জন, কর্মজীবন ও দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তার জনপ্রিয়তা রাজনৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি মনে করেন না, হিরো আলমের মতো ব্যক্তি মজলুম বা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সেই কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তকে দলের জন্য ‘রাজনৈতিক ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মনে করেন, বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রেহাই পেতে দলটিকে দ্রুত এই ভুল সংশোধনের সুযোগ নিতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে হিরো আলম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য উঠলে সাধনা মহল স্পষ্ট করেন, তার কাছে তার মতো ব্যক্তিদের সংসদে পাঠানো বা দলের মনোনয়ন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মাঠ এবং সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা এক নয়। জনপ্রতিনিধিত্বের জন্য যে পরিপক্কতা ও যোগ্যতা দরকার, তা হিরো আলমের মধ্যে অনুপস্থিত।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই হিরো আলম তারেক রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আমজনতার দলে যোগ দেন এবং নির্বাচনে এই দলের পক্ষেই প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এই ঘটনাটির মাত্র কিছু ঘণ্টার মধ্যেই দলের শীর্ষ নেত্রীর পদত্যাগের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, দলের অভ্যন্তরীণ এই বিভক্তি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অস্বস্তির কারণে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করা এই দলটির জন্য এই বিভাজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

হিরো আলমের যোগদানে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধনা মহল দল ছাড়লেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান যখন অন্য দল থেকে আসা নেতাদের জন্য দরজা খোলা থাকার ঘোষণা দেন, ঠিক তখনই দলের সহসভাপতি সাধনা মহল দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে তাকে প্রকাশ্যভাবে সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করতে দেখা যায়, হিরো আলমের আমজনতার দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পরপরই তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি একটি পোস্টে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সাধনা মহল সরাসরি কারণ উল্লেখ না করলেও মন্তব্যের ঘরে ভক্ত ও অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে তার সিদ্ধান্তের ধরণের পেছনের কারণগুলো উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, হিরো আলমের অর্জন, কর্মজীবন ও দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তার জনপ্রিয়তা রাজনৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি মনে করেন না, হিরো আলমের মতো ব্যক্তি মজলুম বা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সেই কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তকে দলের জন্য ‘রাজনৈতিক ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মনে করেন, বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রেহাই পেতে দলটিকে দ্রুত এই ভুল সংশোধনের সুযোগ নিতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে হিরো আলম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য উঠলে সাধনা মহল স্পষ্ট করেন, তার কাছে তার মতো ব্যক্তিদের সংসদে পাঠানো বা দলের মনোনয়ন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মাঠ এবং সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা এক নয়। জনপ্রতিনিধিত্বের জন্য যে পরিপক্কতা ও যোগ্যতা দরকার, তা হিরো আলমের মধ্যে অনুপস্থিত।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই হিরো আলম তারেক রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আমজনতার দলে যোগ দেন এবং নির্বাচনে এই দলের পক্ষেই প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এই ঘটনাটির মাত্র কিছু ঘণ্টার মধ্যেই দলের শীর্ষ নেত্রীর পদত্যাগের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, দলের অভ্যন্তরীণ এই বিভক্তি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অস্বস্তির কারণে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করা এই দলটির জন্য এই বিভাজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।