০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

হিরো আলমের যোগদানে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধনা মহল দল ছাড়লেন

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান যখন অন্য দল থেকে আসা নেতাদের জন্য দরজা খোলা থাকার ঘোষণা দেন, ঠিক তখনই দলের সহসভাপতি সাধনা মহল দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে তাকে প্রকাশ্যভাবে সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করতে দেখা যায়, হিরো আলমের আমজনতার দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পরপরই তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি একটি পোস্টে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সাধনা মহল সরাসরি কারণ উল্লেখ না করলেও মন্তব্যের ঘরে ভক্ত ও অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে তার সিদ্ধান্তের ধরণের পেছনের কারণগুলো উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, হিরো আলমের অর্জন, কর্মজীবন ও দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তার জনপ্রিয়তা রাজনৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি মনে করেন না, হিরো আলমের মতো ব্যক্তি মজলুম বা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সেই কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তকে দলের জন্য ‘রাজনৈতিক ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মনে করেন, বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রেহাই পেতে দলটিকে দ্রুত এই ভুল সংশোধনের সুযোগ নিতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে হিরো আলম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য উঠলে সাধনা মহল স্পষ্ট করেন, তার কাছে তার মতো ব্যক্তিদের সংসদে পাঠানো বা দলের মনোনয়ন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মাঠ এবং সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা এক নয়। জনপ্রতিনিধিত্বের জন্য যে পরিপক্কতা ও যোগ্যতা দরকার, তা হিরো আলমের মধ্যে অনুপস্থিত।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই হিরো আলম তারেক রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আমজনতার দলে যোগ দেন এবং নির্বাচনে এই দলের পক্ষেই প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এই ঘটনাটির মাত্র কিছু ঘণ্টার মধ্যেই দলের শীর্ষ নেত্রীর পদত্যাগের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, দলের অভ্যন্তরীণ এই বিভক্তি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অস্বস্তির কারণে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করা এই দলটির জন্য এই বিভাজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

হিরো আলমের যোগদানে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধনা মহল দল ছাড়লেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান যখন অন্য দল থেকে আসা নেতাদের জন্য দরজা খোলা থাকার ঘোষণা দেন, ঠিক তখনই দলের সহসভাপতি সাধনা মহল দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে তাকে প্রকাশ্যভাবে সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করতে দেখা যায়, হিরো আলমের আমজনতার দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পরপরই তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি একটি পোস্টে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সাধনা মহল সরাসরি কারণ উল্লেখ না করলেও মন্তব্যের ঘরে ভক্ত ও অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে তার সিদ্ধান্তের ধরণের পেছনের কারণগুলো উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, হিরো আলমের অর্জন, কর্মজীবন ও দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তার জনপ্রিয়তা রাজনৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি মনে করেন না, হিরো আলমের মতো ব্যক্তি মজলুম বা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সেই কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তকে দলের জন্য ‘রাজনৈতিক ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মনে করেন, বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রেহাই পেতে দলটিকে দ্রুত এই ভুল সংশোধনের সুযোগ নিতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে হিরো আলম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য উঠলে সাধনা মহল স্পষ্ট করেন, তার কাছে তার মতো ব্যক্তিদের সংসদে পাঠানো বা দলের মনোনয়ন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মাঠ এবং সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা এক নয়। জনপ্রতিনিধিত্বের জন্য যে পরিপক্কতা ও যোগ্যতা দরকার, তা হিরো আলমের মধ্যে অনুপস্থিত।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই হিরো আলম তারেক রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আমজনতার দলে যোগ দেন এবং নির্বাচনে এই দলের পক্ষেই প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এই ঘটনাটির মাত্র কিছু ঘণ্টার মধ্যেই দলের শীর্ষ নেত্রীর পদত্যাগের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, দলের অভ্যন্তরীণ এই বিভক্তি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অস্বস্তির কারণে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করা এই দলটির জন্য এই বিভাজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।