০১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

অতিসম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সমগ্র দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সহিংসতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈধ অস্ত্র মালিকরা অতিসত্তরে তাদের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অনূর্ধ্ব প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্বাচনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

প্রজ্ঞাপে জানানো হয়, এই সময়ে অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মাধ্যমে কেউ যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক উসকানি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু ব্যক্তিত্ব বা গোষ্ঠী এই নির্দেশের বাইরে থাকবেন। যেমন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী এবং তাঁদের নিরাপত্তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনাররা তাদের বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন। অন্যদিকে, সাধারণ লাইসেন্সধারীরা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

নির্বাচনী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত একধরনের নিয়মিত প্রক্রিয়া যা নির্বাচনের সময়ে নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ও বৈধ দুই ধরনের অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ ভোটের মাঠে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং সহিংসতা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

অতিসম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সমগ্র দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সহিংসতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈধ অস্ত্র মালিকরা অতিসত্তরে তাদের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অনূর্ধ্ব প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্বাচনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

প্রজ্ঞাপে জানানো হয়, এই সময়ে অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মাধ্যমে কেউ যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক উসকানি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু ব্যক্তিত্ব বা গোষ্ঠী এই নির্দেশের বাইরে থাকবেন। যেমন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী এবং তাঁদের নিরাপত্তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনাররা তাদের বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন। অন্যদিকে, সাধারণ লাইসেন্সধারীরা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

নির্বাচনী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত একধরনের নিয়মিত প্রক্রিয়া যা নির্বাচনের সময়ে নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ও বৈধ দুই ধরনের অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ ভোটের মাঠে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং সহিংসতা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।