০৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

মির্জা ফখরুল: হাসিনার মতো নেতা চাই না, যে নিজের লোককে ফেলে পালিয়ে যাবে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যে নেতা নিজের কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, এমন নেতা জনগণ আর চান না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আওয়ামী লীগ করে, শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয় এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়, তাদের সবাইকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতৃত্বের পুনরাবৃত্তি দেশবাসী এখন আর দেখতে চায় না।

বিএনপি মহাসचিব বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ভোটাধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সেই অধিকারকে খর্ব করে বর্বরতা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকার চাইতে গেলে মানুষ জেল খাটতে বাধ্য হয়েছে, মারধর ও গুলির শিকার হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার তরফ থেকে যখন প্রবল আন্দোলন উঠে আসে, তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। সেই অন্ধকার সময়ের দুঃশাসনের স্মরণে তিনি ভোটারদের সর্তক হওয়ার আহ্বান জানান।

গণসংযোগের সময় মির্জা ফখরুল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দলের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের আমানত রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব, আমরা কখনো অবশ্যই এই আমানত লেনদেন করব না। চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা ঘুষের বাণিজ্য চলবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্কুলের শিক্ষক, দপ্তরির নিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, চাকরির জন্য আমরা নিজেরা টাকা নেওয়া বা দিতে দেব না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, তারা আজ আবার ভোট চাইতে এসে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে, তাদের ভোট না দেওয়ার জন্য অটলভাবে জনগণকে আহ্বান জানান তিনি। পথে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

মির্জা ফখরুল: হাসিনার মতো নেতা চাই না, যে নিজের লোককে ফেলে পালিয়ে যাবে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যে নেতা নিজের কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, এমন নেতা জনগণ আর চান না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আওয়ামী লীগ করে, শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয় এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়, তাদের সবাইকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতৃত্বের পুনরাবৃত্তি দেশবাসী এখন আর দেখতে চায় না।

বিএনপি মহাসचিব বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ভোটাধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সেই অধিকারকে খর্ব করে বর্বরতা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকার চাইতে গেলে মানুষ জেল খাটতে বাধ্য হয়েছে, মারধর ও গুলির শিকার হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার তরফ থেকে যখন প্রবল আন্দোলন উঠে আসে, তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। সেই অন্ধকার সময়ের দুঃশাসনের স্মরণে তিনি ভোটারদের সর্তক হওয়ার আহ্বান জানান।

গণসংযোগের সময় মির্জা ফখরুল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দলের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের আমানত রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব, আমরা কখনো অবশ্যই এই আমানত লেনদেন করব না। চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা ঘুষের বাণিজ্য চলবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্কুলের শিক্ষক, দপ্তরির নিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, চাকরির জন্য আমরা নিজেরা টাকা নেওয়া বা দিতে দেব না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, তারা আজ আবার ভোট চাইতে এসে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে, তাদের ভোট না দেওয়ার জন্য অটলভাবে জনগণকে আহ্বান জানান তিনি। পথে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।