১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

আন্তর্জাতিক তেলবাজারে দাম স্থিতিশীল

আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক এবং ওপেক প্লাসের উৎপাদন বাড়ার সম্ভাব্যতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দাম বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। কূটনৈতিক সম্ভাবনা ও সরবরাহ বৃদ্ধির আভাস দুইটি মিলেযে বাজারকে আপাতত স্থিতিশীল করে রেখেছে।

সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল 67.78 ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি। আর ডাব্লিউটিআই (WTI) প্রায় ব্যারেলপ্রতি 62.91 ডলারে স্থিতিশীল ছিল। সামান্য ওঠালামা থাকলেও মোটমিলিয়ে দাম বড় পরিবর্তন দেখায়নি।

সন্দেহাতীতভাবে মার্কিন রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্য বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশা জাগিয়েছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রভাবেই এমন ধারণা বেড়েছে যে ওয়াশিংটন এবং তেহরান মধ্যে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতার ফলে বাজারে তেল সরবরাহ বাড়তে পারে। ওই আলোচনা আগামীকাল জেনেভায় দ্বিতীয় দফায় উচ্চপর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পারমাণবিক বিতর্ক মীমাংসা এবং নতুন সামরিক উত্তেজনা এড়িয়ে চলার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ইরান জোর দিয়ে বলেছে, “সম্ভাব্য চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।” তবে বিশ্লেষকরা মনে করান যে, দুই পক্ষই নিজেদের শর্তে অনড় থাকায় দ্রুত কোনো ফলাফল আশা করা কঠিন, ফলে প্রতিশ্রুত পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনায় সংশয় বিরাজ করছে।

অন্যদিকে ওপেক প্লাস আগামী এপ্রিল থেকে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মেটাতে তেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে—এমন খবরও বাজারে ছড়িয়েছে। এই ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উৎপাদন নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তন মিলিতভাবে সামনে কয়েক দিনের মধ্যে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা ঘটাতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

আন্তর্জাতিক তেলবাজারে দাম স্থিতিশীল

প্রকাশিতঃ ০৩:২৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক এবং ওপেক প্লাসের উৎপাদন বাড়ার সম্ভাব্যতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দাম বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। কূটনৈতিক সম্ভাবনা ও সরবরাহ বৃদ্ধির আভাস দুইটি মিলেযে বাজারকে আপাতত স্থিতিশীল করে রেখেছে।

সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল 67.78 ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি। আর ডাব্লিউটিআই (WTI) প্রায় ব্যারেলপ্রতি 62.91 ডলারে স্থিতিশীল ছিল। সামান্য ওঠালামা থাকলেও মোটমিলিয়ে দাম বড় পরিবর্তন দেখায়নি।

সন্দেহাতীতভাবে মার্কিন রাজনৈতিক নেতাদের মন্তব্য বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশা জাগিয়েছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রভাবেই এমন ধারণা বেড়েছে যে ওয়াশিংটন এবং তেহরান মধ্যে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতার ফলে বাজারে তেল সরবরাহ বাড়তে পারে। ওই আলোচনা আগামীকাল জেনেভায় দ্বিতীয় দফায় উচ্চপর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পারমাণবিক বিতর্ক মীমাংসা এবং নতুন সামরিক উত্তেজনা এড়িয়ে চলার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ইরান জোর দিয়ে বলেছে, “সম্ভাব্য চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।” তবে বিশ্লেষকরা মনে করান যে, দুই পক্ষই নিজেদের শর্তে অনড় থাকায় দ্রুত কোনো ফলাফল আশা করা কঠিন, ফলে প্রতিশ্রুত পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনায় সংশয় বিরাজ করছে।

অন্যদিকে ওপেক প্লাস আগামী এপ্রিল থেকে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মেটাতে তেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে—এমন খবরও বাজারে ছড়িয়েছে। এই ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উৎপাদন নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তন মিলিতভাবে সামনে কয়েক দিনের মধ্যে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা ঘটাতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন।