০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

প্রকাশিতঃ ০৬:০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।