০৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: তারেক রহমান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নেতা প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি পুনর্গঠন ঈদের আগেই চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একনেকসহ তিনটি মন্ত্রিসভা-সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন সরওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টায় খিলগাঁও থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার ঈদুল ফিতরের ট্রেনযাত্রা: ৩ মার্চ থেকে শুরু অগ্রিম টিকিট বিক্রি

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ভারত সফরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

প্রকাশিতঃ ০৬:০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।