০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন খাল খনন কর্মসূচি এক যুগান্তকারী বিপ্লব: পানিসম্পদ মন্ত্রী জুলাইয়ের হতাহতদের তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে: ইশরাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদিতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসির সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক কায়ছার রশীদ চৌধুরী খাল খননকে ‘বিপ্লব’ আখ্যা দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন ডিএমপি কমিশনারের অব্যাহতি চেয়ে আত্মসমর্পণ

নীরজ পাণ্ডে পরিচালনায় আর ডি বর্মনের বায়োপিক — চিত্রনাট্য শেষ, শুটিং স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্টে

বলিউডে বায়োপিকের ঢেউ থাকলেও সঙ্গীত জগতকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র তৈরি হলে তা খুবই বিশেষভাবে গ্রহণ করা হয়। এবার সেই বিশেষ ধারায় নাম লেখালেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেববর্মনকে নিয়ে—জনপ্রিয় পরিচালক নীরজ পাণ্ডে তার জীবনীচিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নীরজ পাণ্ডে ইতিমধ্যেই আর ডি বর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ করে ফেলেছেন। শুটিংয়ের জন্য স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্টের লোকেশনও চূড়ান্ত করা হয়েছে, যাতে চলচ্চিত্রে তার ভারতীয় ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বিদেশে করা সংগীত সফরগুলোর কলরবও দেখা যাবে। তবে আর ডি বর্মনের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। নির্মাতারা বলেছেন, বলিউডের প্রথম সারির কোনো অভিনেতাকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবং ওই অভিনেতার শিডিউল নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত শুটিংয়ের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে না।

নীরজ পাণ্ডে অভিষেক পেয়েছিলেন বলিউডে সফল বায়োপিক ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে। আর ডি বর্মনের জীবনীকে তিনি একই মনোযোগ ও গভীরতায় পর্দায় তুলে আনতে চান বলে অনেকে মনে করছেন।

আর ডি বর্মন, যাকে সাধারণত ‘আর ডি বর্মন’ বলে ডাকা হয়, ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তিনি ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন কলকাতায় শচীন দেববর্মনের একমাত্র সন্তানেরূপে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে অভিনেতা মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সংগীত পরিচালনার যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ‘আজা আজা’, ‘এ চতুর নার’, ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘বাঁচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’ সহ অসংখ্য কালজয়ী গান দিয়ে তিনি যুগের সুর রচনা করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় সাড়ে তিনশো সিনেমার সংগীত পরিচালনা করে তিনি ভারতীয় সঙ্গীতে নতুন ধারার বৈচিত্র্য এনেছেন।

আর ডি বর্মনের জীবনী নির্মাণের ঘোষণায় ভক্ত, সংগীতপ্রেমী এবং চলচ্চিত্রকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। নীরজ পাণ্ডের হাতেই তাঁর সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা পাহাড়-উতরাই কিভাবে পর্দায় ожিবে, তা দেখার অপেক্ষায় বুক কাঁপছে শোর্ধকরা। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কাস্টিং ও শেডিউল সংক্রান্ত ঘোষণার অপেক্ষা চলছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান

নীরজ পাণ্ডে পরিচালনায় আর ডি বর্মনের বায়োপিক — চিত্রনাট্য শেষ, শুটিং স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্টে

প্রকাশিতঃ ০৫:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বলিউডে বায়োপিকের ঢেউ থাকলেও সঙ্গীত জগতকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র তৈরি হলে তা খুবই বিশেষভাবে গ্রহণ করা হয়। এবার সেই বিশেষ ধারায় নাম লেখালেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেববর্মনকে নিয়ে—জনপ্রিয় পরিচালক নীরজ পাণ্ডে তার জীবনীচিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নীরজ পাণ্ডে ইতিমধ্যেই আর ডি বর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ করে ফেলেছেন। শুটিংয়ের জন্য স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্টের লোকেশনও চূড়ান্ত করা হয়েছে, যাতে চলচ্চিত্রে তার ভারতীয় ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বিদেশে করা সংগীত সফরগুলোর কলরবও দেখা যাবে। তবে আর ডি বর্মনের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। নির্মাতারা বলেছেন, বলিউডের প্রথম সারির কোনো অভিনেতাকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবং ওই অভিনেতার শিডিউল নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত শুটিংয়ের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে না।

নীরজ পাণ্ডে অভিষেক পেয়েছিলেন বলিউডে সফল বায়োপিক ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে। আর ডি বর্মনের জীবনীকে তিনি একই মনোযোগ ও গভীরতায় পর্দায় তুলে আনতে চান বলে অনেকে মনে করছেন।

আর ডি বর্মন, যাকে সাধারণত ‘আর ডি বর্মন’ বলে ডাকা হয়, ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তিনি ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন কলকাতায় শচীন দেববর্মনের একমাত্র সন্তানেরূপে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে অভিনেতা মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সংগীত পরিচালনার যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ‘আজা আজা’, ‘এ চতুর নার’, ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘বাঁচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’ সহ অসংখ্য কালজয়ী গান দিয়ে তিনি যুগের সুর রচনা করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় সাড়ে তিনশো সিনেমার সংগীত পরিচালনা করে তিনি ভারতীয় সঙ্গীতে নতুন ধারার বৈচিত্র্য এনেছেন।

আর ডি বর্মনের জীবনী নির্মাণের ঘোষণায় ভক্ত, সংগীতপ্রেমী এবং চলচ্চিত্রকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। নীরজ পাণ্ডের হাতেই তাঁর সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা পাহাড়-উতরাই কিভাবে পর্দায় ожিবে, তা দেখার অপেক্ষায় বুক কাঁপছে শোর্ধকরা। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কাস্টিং ও শেডিউল সংক্রান্ত ঘোষণার অপেক্ষা চলছে।