০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী এম আব্দুল্লাহ আল মামুনের মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনের সময় ৭জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

বিশেষ অভিযানে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের কাজে জড়িত থাকার খবর ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি দল অভিযানে নামে। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে প্রায় সহকারী পুলিশ উপপরিদর্শক আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিম এবং অন্যান্য সহযোগী ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় পยายময় ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুর্চার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া কোনো তুলনা ছাড়াই আটক করেন।

আটককৃতদের ঘটনাস্থলে আদালত বসিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, ‘মাননীয় ধর্ম মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের কারণে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে। আমাদের সবাইকে একত্র হয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’ এর আগে, ২০ ফেব্রুয়ারি, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন নিজ এলাকা সফরে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ছে এবং অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ১০:১৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী এম আব্দুল্লাহ আল মামুনের মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা সেবনের সময় ৭জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

বিশেষ অভিযানে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের কাজে জড়িত থাকার খবর ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি দল অভিযানে নামে। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে প্রায় সহকারী পুলিশ উপপরিদর্শক আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিম এবং অন্যান্য সহযোগী ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় পยายময় ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুর্চার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া কোনো তুলনা ছাড়াই আটক করেন।

আটককৃতদের ঘটনাস্থলে আদালত বসিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, ‘মাননীয় ধর্ম মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের কারণে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে। আমাদের সবাইকে একত্র হয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’ এর আগে, ২০ ফেব্রুয়ারি, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন নিজ এলাকা সফরে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ছে এবং অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।