০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরেঃ ইয়াবা সেবনের সময় গ্রেপ্তার ৭

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনার পরপরই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। এই বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে اطلاع পেয়ে সেখানে একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের ঘটনা সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে নামে পুলিশ দল, যার নেতৃত্ব ছিল এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। তার সাথে ছিলেন এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিম। অধিকতর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৭ জনকে ইয়াবা সেবনের জন্য আটক করে। তারা হলেন, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া।

অভিযানের সময় এ সমস্ত ব্যক্তি ইয়াবা সেবনে লিপ্ত থাকাকালে আটক হয়। এরপর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা প্রদান এবং প্রত্যেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসের কারণ। সমাজকে মাদক মুক্ত করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

এছাড়াও উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন, যেখানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরেঃ ইয়াবা সেবনের সময় গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিতঃ ০৩:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনার পরপরই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। এই বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে اطلاع পেয়ে সেখানে একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের ঘটনা সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে নামে পুলিশ দল, যার নেতৃত্ব ছিল এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। তার সাথে ছিলেন এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিম। অধিকতর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৭ জনকে ইয়াবা সেবনের জন্য আটক করে। তারা হলেন, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া।

অভিযানের সময় এ সমস্ত ব্যক্তি ইয়াবা সেবনে লিপ্ত থাকাকালে আটক হয়। এরপর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা প্রদান এবং প্রত্যেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসের কারণ। সমাজকে মাদক মুক্ত করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

এছাড়াও উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন, যেখানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়।