১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তরেক রহমান: টিকে থাকতে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রই একমাত্র বিকল্প দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের জন্য নতুন পরিকল্পনা সরকারের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে দেরিতে আসা কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. সরওয়ার মনোনীত হওয়ার পরও বাংলা একাডেমি পুরস্কার ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ এগ্রো-প্রোডাক্টকে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারি: কৃষি মন্ত্রী মনোনীত হলেও মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাময়িক স্থগিত অফিসে দেরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বইমেলা: দেশের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরেঃ ইয়াবা সেবনের সময় গ্রেপ্তার ৭

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনার পরপরই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। এই বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে اطلاع পেয়ে সেখানে একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের ঘটনা সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে নামে পুলিশ দল, যার নেতৃত্ব ছিল এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। তার সাথে ছিলেন এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিম। অধিকতর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৭ জনকে ইয়াবা সেবনের জন্য আটক করে। তারা হলেন, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া।

অভিযানের সময় এ সমস্ত ব্যক্তি ইয়াবা সেবনে লিপ্ত থাকাকালে আটক হয়। এরপর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা প্রদান এবং প্রত্যেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসের কারণ। সমাজকে মাদক মুক্ত করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

এছাড়াও উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন, যেখানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরেঃ ইয়াবা সেবনের সময় গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিতঃ ০৩:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনার পরপরই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। এই বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে اطلاع পেয়ে সেখানে একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের ঘটনা সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে নামে পুলিশ দল, যার নেতৃত্ব ছিল এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। তার সাথে ছিলেন এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিম। অধিকতর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৭ জনকে ইয়াবা সেবনের জন্য আটক করে। তারা হলেন, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া।

অভিযানের সময় এ সমস্ত ব্যক্তি ইয়াবা সেবনে লিপ্ত থাকাকালে আটক হয়। এরপর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা প্রদান এবং প্রত্যেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসের কারণ। সমাজকে মাদক মুক্ত করতে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

এছাড়াও উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন, যেখানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়।